Home / বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি / ২০২১ সাল ছিল পৃথিবীর ষষ্ঠ উষ্ণতম বছর

২০২১ সাল ছিল পৃথিবীর ষষ্ঠ উষ্ণতম বছর

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি :    ২০২১ সাল ছিল পৃথিবীর ষষ্ঠ উষ্ণতম বছর। শুধু আমেরিকাতেই গত বছর ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, বন্যা, অতিবৃষ্টির মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০০-রও বেশি মানুষ।

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ ও আমেরিকার ‘ন্যাশনাল ওশিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া)’ বৃহস্পতিবার এই খবর দিয়েছে।

নাসা, নোয়া আলাদা আলাদা ভাবে জানিয়েছে, উষ্ণায়নের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত, আমেরিকা, ইউরোপ-সহ গোটা বিশ্বেই গত এক দশক ধরে প্রতিটি বছরের উষ্ণতা বেড়েছে। বছরগুলোর মধ্যে উষ্ণতম ছিল ২০১৬ এবং ২০২০। তবে উষ্ণতার নিরিখে গত বছরটি ওই দুইটি বছরের তুলনায় খুব পিছিয়ে ছিল না। ছিল ধারেকাছেই।

নোয়ার পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ছিল ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা সাড়ে ৫৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

নাসা জানিয়েছে, গত ১৪১ বছরের ইতিহাসে (১৮৮০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ভাবে সব দেশের বাৎসরিক গড় তাপমাত্রার হিসাব রাখা শুরু হয়) ২০২১ এবং ২০১৮ সাল দুইটি ছিল ষষ্ঠ উষ্ণতম।

অন্যদিকে নোয়ার দাবি, উষ্ণতার নিরিখে ষষ্ঠ স্থানটির দাবিদার একক ভাবে ২০২১ সালই।

নাসা ও নোয়া জানিয়েছে, উষ্ণায়নের জন্য গত এক বা দুইদশকে যে উদ্বেগজনক ভাবে শুধুই ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়েছে, বেড়ে চলেছে, তা-ই নয়; আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে মহাসাগরগুলোর পানির উপরিতলের তাপমাত্রাও। যার পরিণতিতে আন্টার্কটিকা ও গ্রিনল্যান্ডের পুরু বরফের চাঙগুলো গলে যাওয়ার গতি ত্বরান্বিত হয়েছে। সমুদ্রের পানিরস্তরও উপরে উঠে আসছে আশঙ্কাজনক ভাবে।

নোয়া-র জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রাসেল হোস বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, ২০২২ সালটির দশম উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। আর গত দেড়শো বছরের ইতিহাসে এই বছরের সবচেয়ে উষ্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ১০ শতাংশ।’

Check Also

নতুন রূপে আসছে জি-মেইল

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি :    গুগলের জি-মেইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ জন্য গুগলও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x