Home / ফটো গ্যালারি / বাতের ব্যথা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

বাতের ব্যথা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

বয়স্ক মানুষের জন্য বাত ব্যথা বা আর্থারাইটিস একটি বিরাট সমস্যা। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষজনের ক্ষেত্রে। আর্থারাইটিসে জয়েন্টে ব্যথা, স্টিফ হয়ে যাওয়া এবং জ্বালাভাব হয়। আর্থারাইটিসের এগুলো অন্যতম প্রধান উপসর্গও বলা যেতে পারে। কারণ এটি একটি পেশির সমস্যাজনিত রোগ। দিন দিন এই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

বয়স্ক মানুষের জন্য বাত ব্যথা বা আর্থারাইটিস একটি বিরাট সমস্যা। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষজনের ক্ষেত্রে। আর্থারাইটিসে জয়েন্টে ব্যথা, স্টিফ হয়ে যাওয়া এবং জ্বালাভাব হয়। আর্থারাইটিসের এগুলো অন্যতম প্রধান উপসর্গও বলা যেতে পারে। কারণ এটি একটি পেশির সমস্যাজনিত রোগ। দিন দিন এই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথা এমন হয় যাতে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা, হাঁটাচলায় খুবই সমস্যা হতে পারে। আর্থারাইটিস নির্মূল করা সম্ভব হয় না কিন্তু এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে লাইফস্টাইলের কিছু দিক পরিবর্তন করলে এবং চিকিৎসা করলে। ছবি: সংগৃহীত

আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথা এমন হয় যাতে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা, হাঁটাচলায় খুবই সমস্যা হতে পারে। আর্থারাইটিস নির্মূল করা সম্ভব হয় না কিন্তু এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে লাইফস্টাইলের কিছু দিক পরিবর্তন করলে এবং চিকিৎসা করলে। ছবি: সংগৃহীত

এই নিয়ে সম্প্রতি ভারতীয় প্র্যাক্টো-র অর্থোপেডিক ড. নকুল শাহ বলেছেন বেশ কয়েকটি বিষয় সামনে আসে। কীভাবে এই আর্থারাইটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং এর জন্য লাইফস্টাইলে কী কী পরিবর্তন আনতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

এই নিয়ে সম্প্রতি ভারতীয় প্র্যাক্টো-র অর্থোপেডিক ড. নকুল শাহ বলেছেন বেশ কয়েকটি বিষয় সামনে আসে। কীভাবে এই আর্থারাইটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং এর জন্য লাইফস্টাইলে কী কী পরিবর্তন আনতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

যদি আর্থারাইটিস থাকে এবং ওজন বেশি হয় তা হলে প্রথমেই ওজন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কারণ ওজন নিয়ন্ত্রণ করলে আর্থারাইটিসের ব্যথার অনেকটা কমে যায়। এর সঙ্গেই রোজ ওয়ার্ক আউট করারও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক। যাতে মাসলে ফ্লেক্সিবিলিটি আসে এবং হাঁটাচলায় সমস্যা না হয়। ওয়ার্ক আউট হিসেবে প্রতিদিন স্ট্রেচিং, অ্যারোবিকস ইত্যাদি করা যেতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

যদি আর্থারাইটিস থাকে এবং ওজন বেশি হয় তা হলে প্রথমেই ওজন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কারণ ওজন নিয়ন্ত্রণ করলে আর্থারাইটিসের ব্যথার অনেকটা কমে যায়। এর সঙ্গেই রোজ ওয়ার্ক আউট করারও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক। যাতে মাসলে ফ্লেক্সিবিলিটি আসে এবং হাঁটাচলায় সমস্যা না হয়। ওয়ার্ক আউট হিসেবে প্রতিদিন স্ট্রেচিং, অ্যারোবিকস ইত্যাদি করা যেতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

হাঁটার সময় সমস্যা হলে বা হাঁটুতে সমস্যা হলে আনলোডিং ব্রেস, সঠিক জুতা ও ছড়ির ব্যবহার করা যেতে পারে। ছড়ি ওজন পুরো পায়ে পড়তে দেয় না ফলে ব্যথা কম হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

হাঁটার সময় সমস্যা হলে বা হাঁটুতে সমস্যা হলে আনলোডিং ব্রেস, সঠিক জুতা ও ছড়ির ব্যবহার করা যেতে পারে। ছড়ি ওজন পুরো পায়ে পড়তে দেয় না ফলে ব্যথা কম হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা আর্থারাইটিসের সমস্যা তীব্র করে। যেমন, ময়দা, ইস্ট, গ্লাটেন, হাইড্রোজেনেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট, দুগ্ধজাত খাবার, ক্যাফেন, অ্যালকোহল, তামাক ইত্যদি। আর্থারাইটিসে ভুগলে এসবের থেকে দূরে থাকা ভালো। এর বদলে ফাইবার যুক্ত খাবার, সবজি, ফল ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে সবুজ শাক-সবজি। ছবি: সংগৃহীত

কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা আর্থারাইটিসের সমস্যা তীব্র করে। যেমন, ময়দা, ইস্ট, গ্লাটেন, হাইড্রোজেনেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট, দুগ্ধজাত খাবার, ক্যাফেন, অ্যালকোহল, তামাক ইত্যদি। আর্থারাইটিসে ভুগলে এসবের থেকে দূরে থাকা ভালো। এর বদলে ফাইবার যুক্ত খাবার, সবজি, ফল ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে সবুজ শাক-সবজি। ছবি: সংগৃহীত

মাসাজ মাসল এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করে কারণ এতে রক্ত চলাচল ভালো হয়। মাসাজের ফলে সারা শরীরে অক্সিজেন চলাচলও ভালোভাবে হয় এবং টিস্যু থেকে টক্সিন থেকে বের হয়ে যায়। আর্থারাইটিসের রোগীদের সপ্তাহে ২-৩ দিন মাসাজের প্রয়োজন হয়। ছবি: সংগৃহীত

মাসাজ মাসল এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করে কারণ এতে রক্ত চলাচল ভালো হয়। মাসাজের ফলে সারা শরীরে অক্সিজেন চলাচলও ভালোভাবে হয় এবং টিস্যু থেকে টক্সিন থেকে বের হয়ে যায়। আর্থারাইটিসের রোগীদের সপ্তাহে ২-৩ দিন মাসাজের প্রয়োজন হয়। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থারাইটিস নিয়ন্ত্রণে সাপ্লিমেন্টও রাখতে হয়। যেমন, ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া। যা হাড় ভালো রাখে এবং জ্বালাভাব কমায়। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ফিশ অয়েলে থাকে, তা খাওয়া যেতে পারে। ভিটামিন ডি ডায়েটে রাখতে হবে যা আর্থারাইটিসের ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থারাইটিস নিয়ন্ত্রণে সাপ্লিমেন্টও রাখতে হয়। যেমন, ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া। যা হাড় ভালো রাখে এবং জ্বালাভাব কমায়। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ফিশ অয়েলে থাকে, তা খাওয়া যেতে পারে। ভিটামিন ডি ডায়েটে রাখতে হবে যা আর্থারাইটিসের ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। ছবি: সংগৃহীত

Check Also

মঞ্চ মাতালেন ভারতীয় ৬ তারকা

ভারতের ৭৫ তম স্বাধীনতা উদযাপন করা হয় গোয়া ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সেখানেই বাংলা প্রতিনিধিত্ব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x