Breaking News
Home / ফটো গ্যালারি / বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিরিঞ্জ প্রস্তুতকারী সংস্থা এইচএমডি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিরিঞ্জ প্রস্তুতকারী সংস্থা এইচএমডি

ভারত সরকারের তরফ থেকে কোভিড প্রতিষেধক টিকা প্রদানের জন্য সম্প্রতি নতুন করে আবার ২৬ কোটি ৫০ লাখ অটো ডিসেবল সিরিঞ্জের অর্ডার পেয়েছে। অর্ডার এসেছে ব্রাজিল, জাপান-সহ আরও অনেক দেশ থেকেও। বিশ্বকে করোনামুক্ত করতে দ্রুত গতিতে সিরিঞ্জ প্রস্তুত করে চলেছে সংস্থাটি। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৩ লাখ ৭৫ হাজার সিরিঞ্জ তৈরি করছে সংস্থাটি। ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকারের তরফ থেকে কোভিড প্রতিষেধক টিকা প্রদানের জন্য সম্প্রতি নতুন করে আবার ২৬ কোটি ৫০ লাখ অটো ডিসেবল সিরিঞ্জের অর্ডার পেয়েছে। অর্ডার এসেছে ব্রাজিল, জাপান-সহ আরও অনেক দেশ থেকেও। বিশ্বকে করোনামুক্ত করতে দ্রুত গতিতে সিরিঞ্জ প্রস্তুত করে চলেছে সংস্থাটি। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৩ লাখ ৭৫ হাজার সিরিঞ্জ তৈরি করছে সংস্থাটি। ছবি: সংগৃহীত
কিন্তু একটা সময় এসেছিল যখন অর্থের জন্য অন্য সংস্থার কাছে হাত পাততে হয়েছিল এইচএমডিকে। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই সংস্থা। প্রতিষ্ঠাতা নারিন্দ্র নাথ। ছোট থেকেই নারিন্দ্র স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কম দামে চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ করার। ছবি: সংগৃহীত

কিন্তু একটা সময় এসেছিল যখন অর্থের জন্য অন্য সংস্থার কাছে হাত পাততে হয়েছিল এইচএমডিকে। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই সংস্থা। প্রতিষ্ঠাতা নারিন্দ্র নাথ। ছোট থেকেই নারিন্দ্র স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কম দামে চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ করার। ছবি: সংগৃহীত
ড়াশোনা শেষ করেই তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই সংস্থার। তার হাত ধরেই একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে উত্থান ঘটে সংস্থার। এখন ভারতের সবচেয়ে বড় ডাক্তারি সরঞ্জাম সরবরাহকারী সংস্থা এটিই। ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বজুড়েই সরঞ্জাম সরবরাহের অর্ডার পায় সংস্থাটি। বিশ্বকে করোনামুক্ত করার দৌড়েও নাম লিখিয়েছে ফেলেছে। ছবি: সংগৃহীত

ড়াশোনা শেষ করেই তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই সংস্থার। তার হাত ধরেই একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে উত্থান ঘটে সংস্থার। এখন ভারতের সবচেয়ে বড় ডাক্তারি সরঞ্জাম সরবরাহকারী সংস্থা এটিই। ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বজুড়েই সরঞ্জাম সরবরাহের অর্ডার পায় সংস্থাটি। বিশ্বকে করোনামুক্ত করার দৌড়েও নাম লিখিয়েছে ফেলেছে। ছবি: সংগৃহীত

ভারত ছাড়াও সব মিলিয়ে ১২০টি দেশকে তারা কোজাক এবং ডিসপোভ্যান সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে এই মুহূর্তে। এই সিরিঞ্জ দিয়েই টিকা প্রদান চলছে ওই সব দেশে। ৯৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয় নারিন্দ্রের। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনিই ছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান। মৃত্যুর পর সংস্থার দায়িত্ব হাতে তুলে নেন তারই ছেলে রাজীব। ছবি: সংগৃহীত

ভারত ছাড়াও সব মিলিয়ে ১২০টি দেশকে তারা কোজাক এবং ডিসপোভ্যান সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে এই মুহূর্তে। এই সিরিঞ্জ দিয়েই টিকা প্রদান চলছে ওই সব দেশে। ৯৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয় নারিন্দ্রের। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনিই ছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান। মৃত্যুর পর সংস্থার দায়িত্ব হাতে তুলে নেন তারই ছেলে রাজীব। ছবি: সংগৃহীত

এইচএমডি সংস্থাটি মূলত পারিবারিক ব্যবসা তাদের। তবে ১৯৯৫ সাল নাগাদ আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়েছিল তাদের সামনে। অনেক শেয়ার বিক্রি করে দিতে হয়েছিল। পরবর্তীকালে অবশ্য রাজীব তা পুনরুদ্ধার করে নেন। ফের নারিন্দ্রর পরিবারের হাতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসে সংস্থাটির। ছবি: সংগৃহীত

এইচএমডি সংস্থাটি মূলত পারিবারিক ব্যবসা তাদের। তবে ১৯৯৫ সাল নাগাদ আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়েছিল তাদের সামনে। অনেক শেয়ার বিক্রি করে দিতে হয়েছিল। পরবর্তীকালে অবশ্য রাজীব তা পুনরুদ্ধার করে নেন। ফের নারিন্দ্রর পরিবারের হাতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসে সংস্থাটির। ছবি: সংগৃহীত

কোভিড টিকা প্রদানে কোনো সমস্যা যাতে তৈরি না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই অটো-ডিসেবল সিরিঞ্জ তৈরি করছে সংস্থাটি। ফাইজার ভ্যাকসিনের জন্য ০.৩ মিলিলিটার সিরিঞ্জ, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ভারত বায়োটেকের জন্য ০.৫ মিলিলিটারের সিরিঞ্জ প্রস্তুত করে চলেছে। এ ছাড়াও সারা বিশ্বজুড়ে পীত জ্বর, বিসিজি, হেপাটাইটিস বি-সহ বিভিন্ন টিকা প্রদানের জন্যও সিরিঞ্জ সরবরাহ করে থাকে তারা। ছবি: সংগৃহীত

কোভিড টিকা প্রদানে কোনো সমস্যা যাতে তৈরি না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই অটো-ডিসেবল সিরিঞ্জ তৈরি করছে সংস্থাটি। ফাইজার ভ্যাকসিনের জন্য ০.৩ মিলিলিটার সিরিঞ্জ, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ভারত বায়োটেকের জন্য ০.৫ মিলিলিটারের সিরিঞ্জ প্রস্তুত করে চলেছে। এ ছাড়াও সারা বিশ্বজুড়ে পীত জ্বর, বিসিজি, হেপাটাইটিস বি-সহ বিভিন্ন টিকা প্রদানের জন্যও সিরিঞ্জ সরবরাহ করে থাকে তারা। ছবি: সংগৃহীত

Check Also

যেভাবে তিতা করলা সুস্বাদু রান্না করবেন

নারিকেল ও সরিষা দিয়ে সুস্বাদু করলা রান্না করতে করলাকুচি ১ কাপ, নারকেল বাটা ১ কাপ, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *