Home / সারা বাংলা / আশুগঞ্জে হামলা লুটপাটে অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে শতশত প্যান্ট-শার্ট পরা যুবকরা কারা

আশুগঞ্জে হামলা লুটপাটে অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে শতশত প্যান্ট-শার্ট পরা যুবকরা কারা

হাসান জাবেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   প্রতিনিধি :   ২৯ মার্চ, রোববার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় হেফাজতের ডাকা হরতালের সমর্থনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটে অংশ নেন। শতশত জিন্স প্যান্ট ও টি শার্ট পরা যুবকরা দা, কোড়াল, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়ে। আশুগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ফাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ সময় টোল আদায়ের তিনটি বুথ ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। এবং বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ করেও তারা থামেনি। স্থানীয় আওয়ামীলীগের সাথে হরতাল সমর্থকদের ৪ ঘন্টাব্যাপী সংগর্স হয়। হরতাল সমর্থকরা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর আহবায়ক হাজি সফিউল্লাহ মিয়া ও যুগ্ম আহবায়ক আবু নাছের আহমেদ এর বাড়িতেও হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।

আশুগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোল প্লাজায় হামলার সময় পুলিশ ফাড়িতে আগুন সেতুর টোল আদায়ের তিনটি বুথ ভাঙচুর ও লুটপাট  এবং আওয়ামী লীগ এর আহবায়ক হাজি সফিউল্লাহ মিয়া ও যুগ্ম আহবায়ক আবু নাছের আহমেদ এর বাড়িতে হামলা ভাংচুর এবং বিভিন্ন স্থানে আওয়ামীলীগের সাথে হরতাল সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষে শতশত জিন্স প্যান্ট ও টি শার্ট পরা যুবকরা দা, কোড়াল, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দেখা যায়।

আওয়ামীগের যুগ্ম আহবায়ক আবু নাসের আহমেদ জানান, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমার বাড়িতে দাড়ি-টুপি ওয়ালা কোন লোক আক্রমণ করেনি। তিনি আরো বলেন, দুবৃত্তরা আমার বাড়িতে আক্রমণ করে ভাংচুর ও তান্ডব চালিয়েছে। কিন্তু আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বার বার অবহিত করলেও তারা আমাদের কোন সাহায্য করেনি। তখন আমরা ছিলাম অসহায়।

আশুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সি বলেন, হেফাজত ইসলাম বিএনপি-জামায়াতের ওপর ভর করে ঘোলাপানিতে ফায়দা লুটের চেষ্টা করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীগের আহবায়ক হাজী সুফিউল্লহ মিয়া বলেন, হেফাজতের ঘাড়ে ভর করে বিএনপি-জামায়াত সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। হেফাজত যা করছে, তা কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়। আমি আশুগঞ্জে হেফাজতের নেতা মুফতি মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ও মুফতি মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। তাঁদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনলেই আশুগঞ্জে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসবে।

এসব বিষয়সহ সার্বিক পরিস্থিতিতে ধারণা পাওয়া যায়, হেফাজতে ইসলামের পাশাপাশি একটি ‘বিশেষ চক্রও’ হরতালের সময় লুটপাটে শামিল হয়। যে কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়ে। প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলে।

Check Also

খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ৭জনের মৃত্যু

খুলনা   প্রতিনিধি :   খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x