Home / ফটো গ্যালারি / প্রতিদিন ঘি খেলে কী হয়?

প্রতিদিন ঘি খেলে কী হয়?

গরম ভাতে ঘি খেতে পছন্দ করেন ঘি প্রেমীরা। পরোটা বা রুটিতে মাখিয়ে খান বা তরকারিতে, ঘি শুধু স্বাদ আর গন্ধ বাড়িয়ে দেয় না, এর উপকারিতা আরও অনেক বেশি। তাই তো যুগ যুগ ধরে ভারতে ঘি খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও ঘিয়ের উপকারিতার কথা বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

গরম ভাতে ঘি খেতে পছন্দ করেন ঘি প্রেমীরা। পরোটা বা রুটিতে মাখিয়ে খান বা তরকারিতে, ঘি শুধু স্বাদ আর গন্ধ বাড়িয়ে দেয় না, এর উপকারিতা আরও অনেক বেশি। তাই তো যুগ যুগ ধরে ভারতে ঘি খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও ঘিয়ের উপকারিতার কথা বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ধীরে ধীরে বিদেশের মানুষও ঘিয়ের গুরুত্ব বুঝেছে। ঘিয়ের এত উপকারিতার জন্য একে তরল সোনাও বলা হয়। ছবি: সংগৃহীত

ধীরে ধীরে বিদেশের মানুষও ঘিয়ের গুরুত্ব বুঝেছে। ঘিয়ের এত উপকারিতার জন্য একে তরল সোনাও বলা হয়। ছবি: সংগৃহীত

যেহেতু ঘি প্রয়োজনীয় ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন ডি, কে, ই এবং এ দ্বারা সমৃদ্ধ, তাই এই উপাদানগুলো প্রতিরোধ-ক্ষমতাসহ আমাদের দেহের নানাবিধ কার্য সম্পাদন করে। ঘি শরীরকে অন্যান্য খাবার থেকে চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে এবং আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। দেশি ঘি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ভাইরাস, ফ্লু, কাশি, সর্দি প্রভৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। ছবি: সংগৃহীত

যেহেতু ঘি প্রয়োজনীয় ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন ডি, কে, ই এবং এ দ্বারা সমৃদ্ধ, তাই এই উপাদানগুলো প্রতিরোধ-ক্ষমতাসহ আমাদের দেহের নানাবিধ কার্য সম্পাদন করে। ঘি শরীরকে অন্যান্য খাবার থেকে চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে এবং আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। দেশি ঘি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ভাইরাস, ফ্লু, কাশি, সর্দি প্রভৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। ছবি: সংগৃহীত

ঘি বাট্রিক অ্যাসিডের একটি সেরা উৎস। এটি একটি শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যা অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো ডায়েটার ফাইবার বাটরেটকে ভেঙে ফেললে তৈরি হয়। কোলন কোষগুলো তাদের শক্তির উৎস হিসাবে এই অ্যাসিড ব্যবহার করে। এটি অন্ত্রের প্রাচীরগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য দুর্দান্ত। অন্ত্রের ব্যাধি যেমন ক্রোনজ ডিজিজে কাজে দেয়। ছবি: সংগৃহীত

ঘি বাট্রিক অ্যাসিডের একটি সেরা উৎস। এটি একটি শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যা অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো ডায়েটার ফাইবার বাটরেটকে ভেঙে ফেললে তৈরি হয়। কোলন কোষগুলো তাদের শক্তির উৎস হিসাবে এই অ্যাসিড ব্যবহার করে। এটি অন্ত্রের প্রাচীরগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য দুর্দান্ত। অন্ত্রের ব্যাধি যেমন ক্রোনজ ডিজিজে কাজে দেয়। ছবি: সংগৃহীত

ঘিয়ের স্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলো চিন্তাশক্তি বাড়িয়ে তোলে। এটি কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। খালি পেটে সকালে ঘি খাওয়ার ফলে কোষের পুনরুজ্জীবনের প্রক্রিয়া উন্নত হয় যা আমাদের দেহের নিরাময় প্রক্রিয়াটিকে বাড়িয়ে তোলে। ছবি: সংগৃহীত

ঘিয়ের স্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলো চিন্তাশক্তি বাড়িয়ে তোলে। এটি কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। খালি পেটে সকালে ঘি খাওয়ার ফলে কোষের পুনরুজ্জীবনের প্রক্রিয়া উন্নত হয় যা আমাদের দেহের নিরাময় প্রক্রিয়াটিকে বাড়িয়ে তোলে। ছবি: সংগৃহীত

ঘিয়ের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বক ভালো রাখে, ত্বকের জ্বালা কম করে, পিগমেন্টেশন কম করে, বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে যা ত্বক এবং চুলে ঔজ্জ্বল্য নিয়ে আসে। ছবি: সংগৃহীত

ঘিয়ের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বক ভালো রাখে, ত্বকের জ্বালা কম করে, পিগমেন্টেশন কম করে, বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে যা ত্বক এবং চুলে ঔজ্জ্বল্য নিয়ে আসে। ছবি: সংগৃহীত

ঘিতে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড একে একটি আয়ুর্বেদিক সুপারফুডে পরিণত করে যা একটি সমৃদ্ধ শক্তির উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, ঘিয়ে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।  ছবি: সংগৃহীত

ঘিতে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড একে একটি আয়ুর্বেদিক সুপারফুডে পরিণত করে যা একটি সমৃদ্ধ শক্তির উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, ঘিয়ে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়াও হার্ট ভালো রাখতে, দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল রাখতে, ক্যানসার প্রতিরোধে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ঘি কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ঘিয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়াও হার্ট ভালো রাখতে, দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল রাখতে, ক্যানসার প্রতিরোধে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ঘি কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ঘিয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ছবি: সংগৃহীত

Check Also

যেভাবে তিতা করলা সুস্বাদু রান্না করবেন

নারিকেল ও সরিষা দিয়ে সুস্বাদু করলা রান্না করতে করলাকুচি ১ কাপ, নারকেল বাটা ১ কাপ, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *