Home / সারা বাংলা / বড়পুকুরিয়া কয়লা দুর্নীতি : কারাগারে সাবেক ৬ এমডিসহ ২২ কর্মকর্তা

বড়পুকুরিয়া কয়লা দুর্নীতি : কারাগারে সাবেক ৬ এমডিসহ ২২ কর্মকর্তা

দিনাজপুর  প্রতিনিধি :   দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা চুরির ঘটনায় সাবেক ছয় ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২২ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে দিনাজপুরের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল করিম এই আদেশ দেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা মূল্যের কয়লা চুরির অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা হয়। মাঝখানে তারা জামিনে ছিলেন।

মামলাটি বিচারের জন্য দিনাজপুরের স্পেশাল জজ আদালতে পাঠানো হয়। বুধবার মামলাটির চার্জ গঠন ও জামিনের জন্য দিন ধার্য ছিল। আসামিরা হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক ছয় এমডি মো. আব্দুল আজিজ খান, প্রকৌশলী খুরশিদ আলম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, মো. আনিসুজ্জামান, প্রকৌশলী এসএম নুরুল আওরঙ্গজেব ও প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহমেদ। বাকিরা হলেন- সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) শরিফুল আলম, মো. আবুল কাশেম প্রধানিয়া, আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান চৌধুরী, ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান হাওলাদা, মো. আরিফুর রহমান ও সৈয়দ ইমাম হাসান, উপ-ব্যবস্থাপক মো. খলিলুর রহমান, মো. মোর্শেদুজ্জামান, মো. হাবিবুর রহমান, মো. জাহিদুর রহমান, সহকারী ব্যবস্থাপক সতেন্ত্র নাথ বর্মন, মো. মনিরুজ্জামান, কোল হ্যান্ডেলিং ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপক মো. সোহেবুর রহমান, উপ-মহাব্যবস্থাপক একেএম খাদেমুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক অশোক কুমার হাওলাদার ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জোবায়ের আলী।

দিনাজপুরের কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক ইসরাইল হোসেন জানান, বুধবার এই চাঞ্চল্যকর মামলার চার্জগঠনের শুনানি ছিল। আসামিরা আদালতে এসে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে। যার আনুমানিক মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা। এই ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আনিসুর রহমান বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন।

মামলাটি দুদকের তফশিলভুক্ত হওয়ায় দুদক কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরে দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিট দাখিলের পর সাবেক এমডি মো. মাহবুবুর রহমান মারা যান।

Check Also

লঞ্চের ধাক্কায় নিখোঁজ জেলের লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালী  প্রতিনিধি :   নিখোঁজের ছয়দিন পরে পটুয়াখালীর বাউফলে মনির হোসেন মৃধা (৩৩) নামের এক জেলের ভাসমান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *