Home / আর্ন্তজাতিক / বসন্ত পর্যন্ত আংশিক লকডাউন থাকবে জার্মানি

বসন্ত পর্যন্ত আংশিক লকডাউন থাকবে জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  :   মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার ঠেকাতে জার্মানিতে আগামী বসন্ত পর্যন্ত আংশিক লকডাউন চালিয়ে যেতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী পিটার অল্টমেয়ার।

জার্মানির একটি সংবাদপত্রে দেয়া সাক্ষাতকারে শনিবার তিনি বলেন, ‘এখনই স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা সম্ভব না। বড় বড় অঞ্চলগুলোতে এখনও প্রতি লাখে কোভিড-১৯ রোগে সংক্রমিত হচ্ছেন ৫০ জনেরও বেশি মানুষ।’

জার্মানির জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ রবার্ট কচ ইনস্টিটিউটের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত জার্মানিতে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১০ লাখ ২৮ হাজার ৮৯ জন।

গতকাল শুক্রবার করোনায় রেকর্ড সর্বোচ্চ মৃত্যুর দিনে জার্মানিতে মহামারি কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত মানুষের সংখ্যা দশ লাখ ছাড়ায়। শনিবারই আরও ২১ হাজার ৬৯৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া শুক্রবার নতুন করে আরও ৪২৬ জন কোভিড-১৯ রোগী মারা গেছেন জানিয়ে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আরকেআই বলছে, প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এর আগে করোনায় একদিনে এত মৃত্যু দেখেনি জার্মানি।

শীতে সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে বহু দিন থেকে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে শীতপ্রধান জার্মানিতে এখনই আংশিক লকডাউন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সঠিক হবে না বলে মত অর্থমন্ত্রী পিটার অল্টমেয়ারের।

তার মতে, ‘সামনে এখন ৩/৪ মাসের টানা শীতকাল। তাই আগামী বছরের প্রথম কয়েকটা মাস করোনাবিধির কড়াকড়ি থাকবে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ, আংশিক লকডাউনের নিয়মকানুন শিথিল হলেই বিপদ বাড়বে।’

কড়াকড়ি অন্তত ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকুক; এমনটাই চাইছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলও। বুধবার তার সঙ্গে বৈঠকে ১৬ প্রদেশের প্রধানদের বেশিরভাগ কড়াকড়ি বাড়ানোর পক্ষে কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, চলতি নভেম্বরেই লকডাউন কিছুটা শিথিল করে জার্মানি তার নাম দিয়েছে ‘লকডাউন লাইট’। যাতে রেস্তোরাঁ ও বার বন্ধ রাখতে বলা হলেও স্কুল, কলেজ ও দোকানগুলো খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

Check Also

ফাইজারের ভ্যাকসিন নেয়ার পর নরওয়েতে ২৩ বৃদ্ধের মৃত্যু, তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  :  নরওয়েতে ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মারা গেছেন ২৩ জন বয়স্ক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *