Home / শিক্ষা / ‘রোজগার কমে যাওয়া অভিভাবকদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করুন’

‘রোজগার কমে যাওয়া অভিভাবকদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করুন’

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     করোনার কারণে চাকরি হারানো বা আয়-রোজগার কমে যাওয়া অভিভাবকদের সন্তানদের টিউশন ফির বিষয়ে মানবিক হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

যারা চাকরি হারিয়েছেন বা আয়-রোজগার হারিয়েছেন, তাদের যতটা সম্ভব ছাড় দেওয়া বা কিস্তিতে পরিশোধ করার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বলেছি, অভিভাবকদেরও বলেছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে, তার মানে এই নয় যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খরচ বন্ধ আছে। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি দিতে হচ্ছে। বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধু হয়তো প্রতিদিনকার বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল লাগছে না। কিন্তু আরও বহু খরচ তাদের লাগছে। সবাই যেহেতু অনলাইনে ক্লাস করাচ্ছে সেক্ষেত্রেও তাদের অতিরিক্ত কিছু খরচ হচ্ছে।

‘তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও চলতে হবে। কোনো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশ শিক্ষার্থীর জন্য কিন্তু একটা বিরাট সমস্যা তৈরি হবে। এরকম বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর সমস্যা হবে। কাজেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও চালু রাখতে হবে, শিক্ষকদেরও জীবন-জীবিকা চালিয়ে নিতে হবে। তাদেরও তো পরিবার রয়েছে, তাদেরও তো আয়-রোজগারের বিষয়টি রয়েছে। ’

দীপু মনি বলেন, যারা সরকারি চাকরিজীবী অভিভাবক তাদের তো আয়-রোজগারের কোনো সমস্যা হয়নি। যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত এবং বেতন পাচ্ছেন তাদেরও সমস্যা নেই। সমস্যা যারা চাকরি হারিয়েছেন বা ব্যবসা করতেন, এই সময়টায় একেবারেই বন্ধ ছিল তাদের সমস্যা এবং যারা স্থানান্তরিত হচ্ছেন তাদের সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাক্সেস করার সমস্যা। স্থানান্তরিতদের ব্যাপারে বলে দিয়েছি যে, তারা অনলাইনে করতে পারবেন। অনলাইনে অ্যাক্সেস না থাকলে নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আপাতত যুক্ত থাকবেন।

‘যারা চাকরি হারিয়েছেন বা আয়-রোজগার হারিয়েছেন তাদের বলবো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মানবিক আচরণ করবেন। তাদের যতটা সম্ভব ছাড় দেওয়া না হলে কিস্তিতে পরিশোধ করাসহ নানান ধরনের ব্যবস্থা হতে পারে। ’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উভয়পক্ষকে আন্তরিকতার সঙ্গে সন্তানদের শিক্ষা চালিয়ে নেওয়ার জন্য নিজেদের সামর্থ্যমতো যা কিছু করার সম্ভব তা করতে আহ্বান জানাচ্ছি, আমি আবারও জানাবো। আমাদের সন্তানদের যেমন শিক্ষা চালিয়ে নিতে হবে, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও চালু রাখতে হবে, আমাদের শিক্ষকদেরও জীবন-জীবিকার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

‘কাজেই ঢালাওভাবে বেতন বাদ দিয়ে দেওয়া বা এখন বেতন দেওয়া হবে না, এ জাতীয় কোনো সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না। ’

Check Also

আলাদা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে চায় বুয়েট

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     শর্তসাপেক্ষে দেশের তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটকে নিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *