Home / ফটো গ্যালারি / করোনা আক্রান্ত মায়েরা কী বুকের দুধ পান করাতে পারবেন?

করোনা আক্রান্ত মায়েরা কী বুকের দুধ পান করাতে পারবেন?

কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল বলছে, মহিলারা নিশ্চিন্তে শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। তাতে কোনো অসুবিধা বা চিন্তার কিছু নেই। তবে একটি উপায় অবলম্বন করতে হবে। ঘোর মহামারির এই পরিস্থিতিতে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নানা দুশ্চিন্ত। সবচেয়ে বড় চিন্তা হল, স্তন্যদুগ্ধের সঙ্গে সন্তানের শরীরে করোনা ভাইরাস যাচ্ছে না তো? যদিও WHO বলছে, বুকের দুধের সঙ্গে শিশুর শরীরে করোনা সংক্রমণের কোনও জোরাল প্রমাণ এখনোও নেই।

কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল বলছে, মহিলারা নিশ্চিন্তে শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। তাতে কোনো অসুবিধা বা চিন্তার কিছু নেই। তবে একটি উপায় অবলম্বন করতে হবে। ঘোর মহামারির এই পরিস্থিতিতে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নানা দুশ্চিন্ত। সবচেয়ে বড় চিন্তা হল, স্তন্যদুগ্ধের সঙ্গে সন্তানের শরীরে করোনা ভাইরাস যাচ্ছে না তো? যদিও WHO বলছে, বুকের দুধের সঙ্গে শিশুর শরীরে করোনা সংক্রমণের কোনও জোরাল প্রমাণ এখনোও নেই।

কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল বলছে, মহিলারা নিশ্চিন্তে শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। তাতে কোনো অসুবিধা বা চিন্তার কিছু নেই। তবে একটি উপায় অবলম্বন করতে হবে।

কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল বলছে, মহিলারা নিশ্চিন্তে শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। তাতে কোনো অসুবিধা বা চিন্তার কিছু নেই। তবে একটি উপায় অবলম্বন করতে হবে।

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ টরোন্টো-র অধ্যাপক শ্যারন আনগারের কথায়, ‘কোনো মহিলার শরীরে করোনা ভাইরাস থাকলে, তার বুকের দুধেও SARS-CoV-2 থাকে। সে ক্ষেত্রে দুধকে জীবাণু মুক্ত করে অর্থাৎ পাস্তুরাইজ করে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে। তা হলে ভয়ের কিছু নেই।’

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ টরোন্টো-র অধ্যাপক শ্যারন আনগারের কথায়, ‘কোনো মহিলার শরীরে করোনা ভাইরাস থাকলে, তার বুকের দুধেও SARS-CoV-2 থাকে। সে ক্ষেত্রে দুধকে জীবাণু মুক্ত করে অর্থাৎ পাস্তুরাইজ করে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে। তা হলে ভয়ের কিছু নেই।’

কানাডার সব দুধের ব্যাঙ্কে ৬২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট ধরে পাস্তুরাইজ বা জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে হেপাটাইটিস, HIV-র মতো ভাইরাসও থাকছে না।

কানাডার সব দুধের ব্যাঙ্কে ৬২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট ধরে পাস্তুরাইজ বা জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে হেপাটাইটিস, HIV-র মতো ভাইরাসও থাকছে না।

গবেষকরা বুকের দুধ ঘরের নর্মাল তাপমাত্রা ৩০ মিনিট রেখে দিয়ে দেখেছেন, দুধে ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। এরপর ৬২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট গরম করার পরে তারা দেখেছেন, করোনা ভাইরাস নেই।

গবেষকরা বুকের দুধ ঘরের নর্মাল তাপমাত্রা ৩০ মিনিট রেখে দিয়ে দেখেছেন, দুধে ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। এরপর ৬২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট গরম করার পরে তারা দেখেছেন, করোনা ভাইরাস নেই।

সে ক্ষেত্রে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, পাস্তুরাইজ করে বুকের দুধ শিশুকে খাওয়ালে কোনো ভয় নেই ভাইরাসের। সে ক্ষেত্রে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, পাস্তুরাইজ করে বুকের দুধ শিশুকে খাওয়ালে কোনও ভয় নেই ভাইরাসের।

সে ক্ষেত্রে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, পাস্তুরাইজ করে বুকের দুধ শিশুকে খাওয়ালে কোনো ভয় নেই ভাইরাসের। সে ক্ষেত্রে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, পাস্তুরাইজ করে বুকের দুধ শিশুকে খাওয়ালে কোনও ভয় নেই ভাইরাসের।

Check Also

বাহুবলী তারকা রানা দাগ্গুবাতির বিয়ের ছবি

সাতপাকে বাঁধা পড়লেন বাহুবলী তারকা রানা দাগ্গুবাতি ও মিহিকা বাজাজ। শনিবার ভারতের হায়দরাবাদের রামানাইডু স্টেডিয়ামে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *