Breaking News
Home / অর্থনীতি / কাল থেকে শুরু হচ্ছে স্বাভাবিক ব্যাংকিং

কাল থেকে শুরু হচ্ছে স্বাভাবিক ব্যাংকিং

অর্থনীতি ডেস্ক :  স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হচ্ছে আগামীকাল রোববার (৩১ মে ) থেকে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৭ দিন পর পূর্বের সময়সূচি অনুযায়ী কাল থেকে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আর লেনদেন পরবর্তী ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য শাখা ও প্রধান কার্যালয় বিকাল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে করোনা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সীমিত ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। অসুস্থ কর্মী ও গর্ভবতী নারীদের কর্মস্থলে যেতে হবে না।

ঢাকার মতিঝিল ও দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদ এলাকায় সব ব্যাংকের সব শাখা প্রতি কর্মদিবসে খোলা থাকবে। শ্রমঘন শিল্প এলাকায় সব ব্যাংক শাখা খোলা থাকবে আগের নিয়মে। সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর (পোর্ট ও কাস্টমস) এলাকায় ব্যাংকের শাখা ও বুথ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সপ্তাহের সাতদিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপরভিশন থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে সার্কুলার জারি করেছিল।

স্বাভাবিক লেনদেন চালু হলেও স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি পরিপূর্ণ পরিপালন করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায়। স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ঘোষিত করোনা সংক্রমিত মাঝারি ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত ব্যাংক শাখাসমূহ দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেন পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত হবে। এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

এছাড়া সরকার কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশনা অনুসারে গণপরিবহন চলাচল সীমিত থাকাকালীন সময়ে প্রয়োজনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে যাতায়াতের জন্য ব্যাংকের নিজ দায়িত্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

অফিসের কর্মপরিবেশে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সন্তান সম্ভাবা নারীদের কর্মস্থলে উপস্থিত হতে বিরত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

গ্রাহকের প্রয়োজনে নগদ-চেকের মাধ্যমে জমা-উত্তোলন, ডিডি, পে-অর্ডার ইস্যু, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, সরকারের সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় ভাতা-অনুদান বিতরণ, বৈদেশিক রেমিটেন্সের অর্থ পরিশোধ, প্রণোদনাগুচ্ছের কার্যক্রম, যাবতীয় নিয়মাচার মেনে ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম, গ্যাস, বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ, পেমেন্ট সিস্টেমের আওতাধীন অন্য লেনদেন সুবিধা দিতে হবে।

[বাংলাদেশ ব্যাংকের] প্রজ্ঞাপনে এনআরবি বন্ড, বিভিন্ন প্রকার সঞ্চয়পত্রের লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বলা হয়েছে।

Check Also

দাম কমেছে আট নিত্যপণ্যের

অর্থনীতি ডেস্ক :  গত এক সপ্তাহে নিত্যপ্রয়োজনীয় আট পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে তেল, পেঁয়াজ, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *