Saturday , February 29 2020
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / দুই দলে বড় শূল ‘বিদ্রোহী-স্বতন্ত্র’ প্রার্থীরা

দুই দলে বড় শূল ‘বিদ্রোহী-স্বতন্ত্র’ প্রার্থীরা

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     ঢাকা সিটি নির্বাচনে জমে উঠেছে প্রচারণা। এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা লড়ছেন সরাসরি দলীয় প্রতীকে। আর কাউন্সিলর প্রার্থীরা পেয়েছেন দলীয় সমর্থন। দুই সিটির প্রতিটি ওয়ার্ডেই ভোটের মাঠে রয়েছেন প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তবে তাদের সঙ্গে দুই দলেরই সমর্থনবঞ্চিতরা ‘স্বতন্ত্র’ অথবা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনে রয়েছেন। ফলে এই বিদ্রোহী কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই দলের সমর্থিত প্রার্থীদের জন্য বড় শূল হয়ে দেখা দিয়েছে।

দুই দলেরই সাংগঠনিক শাস্তির কড়া হুঁশিয়ারির পরও দমানো যায়নি এসব প্রার্থীদের। মনোনয়ন প্রত্যাহারে দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করেই দুই সিটির ৩১টি ওয়ার্ডে নির্বাচনী লড়াইয়ে অনড় আওয়ামী লীগের ৪২ প্রার্থী। নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে বেশকিছু জায়গায় দল সমর্থিত ও সমর্থনবঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা-সংঘাতের খবরও এসেছে।

অন্যদিকে দুই সিটিতেই অন্তত ২৫টি ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন বিএনপির বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা। দল থেকে সমঝোতার চেষ্টা ও কঠোর হুঁশিয়ারির পরও প্রচারাভিযানের মাঠ থেকে সরেননি তারা। কোনো কোনো ওয়ার্ডে সমর্থনবঞ্চিত দলের সর্বোচ্চ তিনজন কাউন্সিলর প্রার্থীও প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে প্রচারকাজ অব্যাহত রেখেছেন। দলীয় সমর্থন পাওয়া প্রার্থীদের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন তারা।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা সিটিতে ভোট হবে। দুই সিটিতে মেয়র ছাড়াও ১২৯টি সাধারণ ও ৪৩টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড মিলিয়ে মোট ১৭২ জন নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ডিএনসিসিতে ৫৪টি সাধারণ ও ১৮টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড আর ডিএসসিসিতে ৭৫টি সাধারণ ও ২৫টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড।

দুই দলের সংশ্লিষ্ট ও ইসি সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, দুই সিটির ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের অন্তত ৪২ জন স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিএনসিসির ১৪টি ওয়ার্ডে ১৭ জন এবং ডিএসসিসির ১৭টি ওয়ার্ডে ২৫ জন।

আবার কোনো কোনো ওয়ার্ডে একাধিক বিদ্রোহীও রয়েছেন। ডিএসসিসির ৩৬ ও ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোটের মাঠে রয়েছেন। সংরক্ষিত কয়েকটি নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদেও রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর তারা প্রচারাভিযানেও রয়েছেন।

আওয়ামী লীগের একটি সূত্রমতে, দলটির ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতাদের কেউ কেউ কাউন্সিলর পদে সমর্থন প্রত্যাশী ছিল। সমর্থনবঞ্চিত হয়ে তারাই স্বতন্ত্র কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। দলের সমর্থিত ও প্রত্যাখ্যাত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা থেকে সহিংসতার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। যদিও প্রচারের পঞ্চমদিনে গতকাল পর্যন্ত তেমন কোনো খবর আসেনি।

গত ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ছাড়াও ১৭২টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে দল সমর্থিত প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। তবে দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা দেন।

গত ৩ ও ৪ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। এরপর দুই সিটির নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটির নেতারা আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের পৃথক বর্ধিত সভায় বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদের মাঠ থেকে সরে দাঁড়াতে অনুরোধ জানান। দলের সিদ্ধান্ত না মানলে বহিষ্কার অথবা ভবিষ্যতে পদবঞ্চিত করার হুঁশিয়ারি দেন তারা। এরপর অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়। তবে অনেক জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনড় রয়ে যান আরও অনেকেই।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘দলীয় সমর্থনের বাইরে যারা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন তাদের নৈতিক দায়িত্ব হলো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো। তাদের যদি নির্বাচন করতেই হয়, তাহলে দলীয় পদ ছেড়ে দিতে হবে। আর দলীয় পদ রাখতে হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২৫ ওয়ার্ডে বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে বিএনপি

অন্যদিকে সমঝোতার চেষ্টা ও কঠোর হুঁশিয়ারির পরও ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের অন্তত ২৫টি ওয়ার্ডে বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রচারাভিযানের মাঠে রয়েছেন। প্রতীক পেয়ে স্ব-স্ব ওয়ার্ডে প্রচারকাজও অব্যাহত রেখেছেন তারা। দলীয় বিদ্রোহীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় বিপাকে দলীয় সমর্থন পাওয়া কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, ৯ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার করার আগেই বিদ্রোহীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান শীর্ষ নেতৃত্ব। এমনকি আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। কিন্তু তারা মাঠ তো ছাড়েনইনি উল্টো প্রতীক পাওয়ার পর প্রচারাভিযানেও রয়েছেন।

এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী আর দলের সমর্থন পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। এর ফলে তাদের মধ্যে চাপা অসন্তোষও বিরাজ করছে। এমন ক্ষোভ নিয়েই তাদের নির্বাচনী প্রচারে নামতে হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা একক প্রার্থী করার চেষ্টা এখনো চালিয়ে যাচ্ছি। সঠিকভাবে বলতে না পারলেও অনেক জায়গায় কাউন্সিলর পদে একাধিক নেতা আছেন।’

‘শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব। আশা করি, সফল হব। আর যদি না হয় তাহলে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে। কারণ এখানে তো আমাদের প্রতীক নেই।’

ঢাকা উত্তরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘অনেক বেশি বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। অল্প কিছু জায়গায় আমাদের একাধিক প্রার্থী আছেন। আশা করি, সমাধান হয়ে যাবে। সবাই দল সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন।’

দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ঢাকার দুই সিটিতে ১৭২টি ওয়ার্ডে দলের প্রার্থীদের সমর্থন দেয় বিএনপি। গত ৩০ ডিসেম্বর তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে সমর্থন পাননি এমন শতাধিক প্রার্থীও দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের তৎপরতায় অধিকাংশই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। শেষ পর্যন্ত দুই সিটির অন্তত ২৫টি সাধারণ ওয়ার্ডেই বিদ্রোহী প্রার্থীরা ভোটের মাঠে রয়েছেন। উত্তর সিটিতে ১২ জন এবং দক্ষিণ সিটিতে ১৩ জন।

দুই সিটিতে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী যারা

ঢাকা উত্তর:

ডিএনসিসির ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইসমাইল হোসেন বেনু; ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক (বর্তমান কাউন্সিলর); ৫ নম্বরে জুয়েল রানা; ৬ নম্বরে তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি; ৭ নম্বরে ইয়াকুব আলী ও কাজী স্বপন; ১১ নম্বরে অলিউর রহমান বাবুল ও মনসুর আলী; ১৩ নম্বরে ইসমাইল মোল্লা; ১৪ নম্বরে হুমায়ুন রশিদ জনি (বর্তমান কাউন্সিলর) এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে আজিজুর রহমান স্বপন; ২০ নম্বর ওয়ার্ডে জাহিদুর রহমান দুলাল; ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে আতিকুর রহমান; ২৪ নম্বরে তালুকদার সারওয়ার; ২৫ নম্বরে আশরাফ উদ্দিন কাঞ্চন ও মোকসেদ আলী মোল্লা এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসমাইল চৌধুরী আজাদ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।

ঢাকা দক্ষিণ:

২ নম্বর ওয়ার্ডে জহিরুল ইসলাম ভূঞা ভুট্টু; ৮ নম্বরে ইসমাইল জবিউল্লাহ; ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত এ কে এম মোমিনুল হক সাঈদ (বর্তমান কাউন্সিলর); ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ম. ম. মামুন রশিদ শুভ্র ও শেখ সেকান্দার আলী; ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে সাইফুল ইসলাম রনি ও নুরুল আমিন পাটোয়ারী, ৩৬ নম্বরে সমিন রায়, বাবুল দাস ও জাহাঙ্গীর ইসলাম, ৩৭ নম্বরে হাজী শাহাবুদ্দিন জনি, ৩৯ নম্বরে ময়নুল হক মনজু (বর্তমান কাউন্সিলর, চাঁদাবাজির অভিযোগে বর্তমানে গ্রেপ্তার ও কারাগারে)।

এ ছাড়া ৫৩ নম্বরে আসাদুজ্জামান মামুন, ৫৪ নম্বরে মনির হোসেন স্বপন; ৫৮ নম্বরে ফিরোজ আহমেদ এবং ৫৯ নম্বরে আওলাদ হোসেন ও খোরশেদ আলম; ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে সহিদুল ইসলাম; ৬৯ নম্বরে আতিকুর রহমান তোতা মিয়া, সালাউদ্দিন আহমেদ ও শহিদুল ইসলাম; ৭৩ নম্বরে আমিনুল ইসলাম চৌধুরী উজ্জল; ৭৪ নম্বরে আজিজুল হক মেম্বার এবং ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে আতাউর রহমান।

দুই সিটিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী যারা

ঢাকা উত্তর:

এই সিটির ১২টি সাধারণ ওয়ার্ডে দলের সমর্থনবঞ্চিত কাউন্সিল প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জামাল হাসান বাপ্পী; ৫ নম্বরে বুলবুল মল্লিক; ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হাবিবুর রহমান ও মোহাম্মদ রিপন; ৭ নম্বরে গোলাম রাব্বানী; ১৬ নম্বরে সেলিম আহমেদ রাজু; ২৩ নম্বরে কামাল আহমেদ দুলু; ২৫ নম্বরে এসএম হাসেম; ৩০ নম্বরে আবুল হাসেম; ৩১ নম্বরে হাসিনা মোর্শেদ কাকলী ও ফরিদউদ্দিন ফরহাদ; ৩৮ নম্বরে আলী হোসেন; ৪০ নম্বরে আতাউর রহমান; ৪৩ নম্বরে রেজাউল করিম এবং ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে হেলাল তালুকদার।

ঢাকা দক্ষিণ:

এই সিটির ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ডের ১৩টিতেই ভোটের মাঠে রয়েছেন বিএনপির সমর্থন না পাওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীরা। বিদ্রোহী প্রাথীরা হলেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডে আনোয়ার হোসেন লিপু; ১৩ নম্বরে নজরুল ইসলাম জুয়েল; ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আবু নাছের লিটন; ৩৭ নম্বরে সুমন ভূঁইয়া; ৩৯ নম্বরে মোজাম্মেল হক মুক্তা; ৪৬ নম্বরে মো. সোহেল ও ঢালী মামুনুর রশীদ; ৫০ নম্বরে আনোয়ার হোসেন স্বাধীন; ৫১ নম্বরে কবির আহম্মেদ; ৫২ নম্বরে বাদল রানা; ৫৫ নম্বরে শহিদুল হক; ৫৯ নম্বরে খোরশেদ আলম খোকন; ৬১ নম্বরে শাহ আলম এবং ৬৬ নম্বরে নুরুদ্দিন মিয়া।

দক্ষিণ সিটির ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবশ্য প্রার্থিতা সব প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত রেখেছিল বিএনপি। ফলে এই ওয়ার্ডে ওসমান গণি শাহজাহান ও মাসুদ খান রাজেশ প্রার্থী রয়েছেন।

এছাড়া ২৫ নম্বর ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কোনো প্রার্থী নেই। এর মধ্যে ২৫ নম্বরে হাজি আলতাফ হোসেন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত মোস্তাফিজুর রহমান ফয়েজের মনোনয়ন বাতিল হওয়া আর প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় এই ওয়ার্ডেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

Check Also

মহাবিপন্ন চশমাপরা হনুমান

>> পৃথিবীব্যাপী ‘বিপন্ন’ আর বাংলাদেশে ‘মহাবিপন্ন’ চশমাপরা হনুমান >> ছয় বনে ৪০০ চশমাপরা হনুমানের বসবাস, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *