Breaking News
Home / উপ-সম্পাদকীয় / মুজিববর্ষ : বাঙালি জাতির সমৃদ্ধি ও মর্যাদা বৃদ্ধির এক নতুন অঙ্গীকার

মুজিববর্ষ : বাঙালি জাতির সমৃদ্ধি ও মর্যাদা বৃদ্ধির এক নতুন অঙ্গীকার

ড. ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ  :   ২০২০ সালে পূর্ণ হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সাল হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ উপলক্ষেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০-২০২১ সালকে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির যৌথসভার উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দলের পক্ষে ‘মুজিববর্ষ’ পালনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ২০২০ সালে পূর্ণ হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সাল হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ উপলক্ষেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুজিববর্ষ পালিত হবে। এখানে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীও থাকবে। এই সময়ের মধ্যে যেসব জাতীয় ও দলীয় দিবস পড়বে সেগুলোকেও বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে। দেশের ওয়ার্ড, ইউনিয়ন পর্যন্ত এই বর্ষ পালন করা হবে। মুজিববর্ষ সরকারিভাবেও পালিত হবে।’ তিনি জানান, বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হবে জন্মশতবার্ষিকী। বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিভাগ জেলা ও ওয়ার্ডপর্যায় পর্যন্ত জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ সময়টুকু উদযাপিত হবে মুজিববর্ষ হিসেবে। সরকারি-বেসরকারিপর্যায়ে মুজিববর্ষ উদযাপনের নানা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, বেশ একটা কর্মযজ্ঞ চলছে। যদি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে তা আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারি, তা হবে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা ও স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ উপায়। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এই স্বাধীন দেশে মানুষ যখন পেট ভরে খেতে পাবে, পাবে মর্যাদাপূর্ণ জীবন; তখনই শুধু এই লাখো শহিদের আত্মা তৃপ্তি পাবে।’ এই কথাটা গভীরভাবে আমাদের উপলব্ধি করতে হবে।

এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে আগামী বছরের ১৭ মার্চ জেলা ও থানা, দেশ ও বিদেশের বড় বড় শহরে ডিজিটাল স্ক্রিন স্থাপন করে নতুন নতুন কনটেন্ট সরবরাহ ও প্রচার করা হবে। সারা দেশে এক হাজার ডিজিটাল ডিসপেস্ন স্থাপন করে প্রচার করা হবে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ওপর বিভিন্ন কনটেন্ট। প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে অডিও ভিজু্যয়াল প্রদর্শনীর আয়োজন থাকছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা ২৫টি দেশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হবে। ইউটিউব, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় আপলোড করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে নির্মিত কনটেন্ট। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয় জাতীয় সংবাদে গুরুত্বের সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্বাচিত ভাষণের অংশবিশেষ ও জন্মশতবার্ষিকীর খবর প্রচার করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নামে একটি আর্কাইভ স্থাপন করা হবে, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রকাশিত সব লেখা ও অডিও-ভিডিও প্রকাশনাগুলো সংগৃহীত থাকবে। দেশের সব লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপন, ট্রেন ও জাহাজ জন্মশতবার্ষিকীর লোগো/ট্যাগ লাইন দিয়ে সজ্জিত করা হবে। চালু করা হবে বিনা মূল্যে ভ্রমণের জন্য বিশেষ ট্রেনসেবা। হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হবে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আয়োজন ও সারা দেশে জেলা-উপজেলায় সপ্তাহব্যাপী মুজিব মেলার আয়োজন করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন ঘটনা ও স্থান নিয়ে ৬৪ জেলায় চিত্রায়নপূর্বক ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে ৬৪টি অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করা হবে বছরব্যাপী এ উৎসবে।

অসৎ মানুষের অসৎ আয়ের প্রবৃদ্ধি আমাদের গরিব মানুষকে আরও গরিব করছে, বড়লোককে আরও বড়লোক করছে। এ থেকে সমাধানের পথও আমাদের জানা। ব্যাংক লুট বন্ধ করতে হবে, বিদেশে টাকা পাচার বন্ধ করতে হবে, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। বিনায়ক সেন যেমনটা বলেন, ‘সরকার সামাজিক সুরক্ষা খাতে প্রতিবছর যেভাবে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে, তাতে দারিদ্র্য বিমোচন হবে না। এ সময় তিনি জিডিপির অনুপাতে কর আদায়ের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেন।’ ধনীদের ওপরে কর বাড়াতে হবে, কর ফাঁকি, শুল্ক ফাঁকি বন্ধ করতে হবে। কী করতে হবে, তা মানুষ জানে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গবেষকরাও পথ বাতলে দিতে পারবেন। কিন্তু আসল কথা, এই বেদনা আমরা বুঝতে পারি কিনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময় বলতেন বাংলার গরিব-দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তার প্রতিটি ভাষণে দেশের গরিব-দুঃখী সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সরকার শুধু বড়লোকদের জন্য নয়- রাষ্ট্র শুধু ধনী এবং নগরবাসীর জন্য নয়। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের গরিব-দুঃখী সাধারণ মানুষের জন্য ভাবতে হবে, তাদের দোরগোড়ায় উন্নয়নকে নিয়ে যেতে হবে। প্রতিটি গ্রামকে উন্নয়নের একেকটা কেন্দ্র করে তুলতে হবে, প্রতিটি অঞ্চলের সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার নিজের চিন্তার মধ্যে গ্রাম একটা উলেস্নখযোগ্য স্থান অধিকার করে রাখে। এ নিয়ে তার বইয়ে বিশেষ লেখা আছে। কিন্তু ধনতন্ত্র একটা একচক্ষু মত্ত হস্তী। তা সব মানবিকতা, সবটুকু সবুজ, আমাদের ধানখেত, নদী, বন, বাতাস, পানি সবকিছুকে নষ্ট ও ধ্বংস করতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘টাকা বানানো একটা রোগ, অসুস্থতা।’ এই রোগে যখন ধনিকশ্রেণি আক্রান্ত হয়, তখন নিয়মকানুন সবকিছুই তারা ভেঙেচুরে একাকার করতে চায়। প্রবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া এই সর্বনাশা রোগের প্রকোপ থেকে মানুষ আর প্রকৃতিকে বাঁচানো যাবে না। বৈষম্য দূর করাই হোক ২০২০ সালের নববর্ষের অঙ্গীকার।

২০১৯ সাল শেষ হয়ে গেল। দেশের ষোলো কোটি মানুষ আগ্রহ ও উৎসাহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে নতুন ২০২০ সালকে অভ্যর্থনা জানাতে। একদিকে ২০২০ সাল হচ্ছে একটি দশকের সমাপ্তি বর্ষ- অন্যদিকে সরকারের বিভিন্ন মেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বছর। ২০২০ সালের পরে ২০২১-এ আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। অন্যদিকে জাতির পিতার শততম বর্ষপূর্তি পালন করা হবে। তাই ২০২০ সাল আমাদের জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। বিগত ৫০ ও ১০০ বছরের ইতিহাস ও যাবতীয় কর্মকান্ডের এক চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ, হিসাব বিবরণী, বিশেষ অর্জনের স্তুতিগান, বিশেষ পর্যবেক্ষণ, সমীক্ষা, মূল্যায়ন, পরবর্তী ভিশন অর্জনের কর্মসূচি, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের অঙ্গীকার হলো আগত ২০২০ সাল। ঘটনাবহুল ২০১৯-এর তালিকায় ভালো-মন্দ অনেক কিছুই আছে। হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নি, দুর্ঘটনা মৃতু্যর ঘটনা বাদে অন্যগুলো ততটা মর্মস্পর্শী নয়। তবে ২০২০-এ যেন এজাতীয় মৃতু্যর পুনরাবৃত্তি না ঘটে দেশের জনগণ সে প্রত্যাশা করে। এ ছাড়া মনুষ্য সৃষ্ট যানজট, হরতাল, ক্যাসিনো ব্যবসা, জঙ্গি তান্ডব, জমি দখল, নদী দখল, খাদ্য গুদামজাতকরণ, ভেজাল খাদ্য বাজারজাত ও সরবরাহকরণ, ভেজাল ওষুধ বাজারজাত ও সরবরাহকরণ, মৌলিক অধিকার হরণ এজাতীয় কর্মকান্ডের পুনরাবৃত্তি না হলে আমরা বুঝতে পারব উন্নয়নের রূপরেখা ২০২১, ২০৩০-২০৪১ আর হয়তো অসম্ভব কিছু নয়। নয়তো আমরা শুধু ‘কাজীর গরু কাগজে আছে-বাস্তবে নেই’ এই ধাঁধার মধ্যে থেকে নিঃশেষ হওয়া ছাড়া আর অন্য কোনো উপায় থাকবে না। অধিকন্তু শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতেও আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকব। পাশাপাশি কলুষিত পরিবেশ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পতিত হয়ে আমাদের উদীয়মান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ক্রমাবনতির দিকে নিয়ে যাবে। কাজই এ বাস্তবতায় ২০২০ সালকে উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সুষ্ঠু অভিবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সেবা খাতের উন্নয়ন, পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ ও বসবাসের নিশ্চয়তাসহ সামাজিক সুরক্ষার প্রতি আমাদের যত্নবান হতে হবে।

এটা সত্য, বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার পর যখন অমানুষ নেতৃত্ব বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিজেরাই নিয়ে নেয় ও উল্টোপথের ইতিহাস তৈরি করতে বসে তখন হতভম্ব জাতিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় ৬ বছর। নির্বাসিত জীবন শেষে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে রাজনীতি শোধনের দায়িত্ব না নিলে আজ বাংলাদেশের ইতিহাস ভিন্ন হতো। যদি কেউ বাংলাদেশের জটিল রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করতে বসেন আর তার অধ্যয়ন শুরু হয় ১৯৮১ সাল থেকে তাহলে দেখা যাবে শেখ হাসিনাকে পাড়ি দিতে হয়েছে এক দুর্গম পথ, শুরুতে যার গন্তব্য ছিল অনিশ্চিত। আজও পায়ে পায়ে মৃতু্যর গড়াগড়িতে কিন্তু তিনি অবিচল। স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে নিয়মিত আদালতের প্রক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার সম্পন্ন করে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রেখে দেশের মানুষের মনের আক্ষেপ আর কালিমা মুছে আজ বাংলাদেশকে টেনে তুলেছেন উন্নয়নের মহাসড়কে। যে কেউ এখন স্বীকার করবেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বদানের দর্শন সংগঠিত না হলে আজকের এই বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব ছিল না। ফলে নৌকা এখন তার সেই দর্শনেরই প্রতীক, যা বঙ্গবন্ধুর এই নদীমাতৃক বাংলাদেশেরই প্রতিচ্ছবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন দক্ষিণ এশিয়ার সফল নেতা ও রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে স্বীকৃত। আর তাই এই এগিয়ে থাকা আজকের বাংলাদেশ এখন যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সাংস্কৃতিক ধারা নিয়ে সবাইকে সঙ্গে করে সামনে এগোতে চাইছে, সে যাত্রায় আমাদের দায়িত্ব কি তা মনে রাখা দরকার। পথ চলতে চলতে আমরা হঠাৎ একে অন্যের হাত ছেড়ে দিতে পারি না। সম্মিলিত হাতের বন্ধনে যদি শেখ হাসিনার পথপরিক্রম আরও সাহস পায় আমাদের তা অটুট রাখতে হবে। সুদীর্ঘ ৩৭ বছর নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের পর দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে দেয়ার এখনো কি প্রতিশ্রম্নতি তার বাকি আছে? নিশ্চয়ই তার মনের কোণে লুকিয়ে থাকা সুকান্তের ‘বাসযোগ্য পৃথিবীর অঙ্গীকার’ বাস্তবায়নে আমাদেরও সমান প্রতিশ্রম্নতি থাকতে হবে। শেখ হাসিনার সঙ্গে আমাদেরও যেতে হবে বহুদূর।

ইতিহাসের সাহসী সন্তানরা লাখো প্রাণের বিনিময়ে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়ে গেছেন। আমাদের দায়িত্ব এ দেশ ও জাতির অগ্রযাত্রাকে বেগবান করা। ত্রিশ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সমুন্নত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে দেশ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণরূপে নির্মূলের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ-প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলতে বাঙালি জাতিকে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’ তাহলেই বিশ্বদরবারে জাতি হিসেবে আমাদের সমৃদ্ধি ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

Check Also

অবৈধ অভিবাসন ও মৃত্যুর দায়

ড. ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতির আশায় এ দেশের বিভিন্ন শ্রেণির দক্ষ ও অদক্ষ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *