Home / উপ-সম্পাদকীয় / বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও একটি স্বপ্ন

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও একটি স্বপ্ন

রণেশ মৈত্র  :   জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৯২০ সালে। ২০২০ সালে তার জন্মের শতবর্ষ পূরণ হবে। সেই ২০২০ সাল বাঙালি জাতির দোরগোড়ায়। জরুরি ভিত্তিতেই তাবৎ কর্মসূচি স্থির করে ফেলা দরকার- সারাটি বছর ধরে কীভাবে আমরা এই মহামানবের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করতে পারি।

বস্তুত আমরা যারা অশীতিপর রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিক তারা সৌভাগ্যের অধিকারী যে বঙ্গবন্ধুর বড় হয়ে উঠে কলকাতা থেকে দেশবিভাগের পর পূর্ববাংলায় (পূর্ব পাকিস্তান) ফিরে আসেন- তারপর থেকে তার কর্মকান্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং প্রত্যক্ষ ফলভোগকারীও বটে। তাই আমরা নিশ্চয়ই বছরটি হেলাফেলা, দায়সারা বা গতানুগতিকভাবে পালিত হোক, তা চাইতে পারি না। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন হতে হবে পরিপূর্ণ অর্থবহ এবং গভীর তাৎপর্য মন্ডিতভাবে। কিন্তু এ ব্যাপারে কর্মসূচি প্রণয়নে জাতীয়ভিত্তিক প্রস্তুতি কমিটি গঠিত হয়েছে বলে জানি এবং তার সরকার ও সরকারি দলের উদ্যোগে অনেকটাই দলীয়করণকৃত সেই কমিটি, এমন অভিযোগ আছে।

অভিযোগটি সত্য হোক বা না হোক, আমার মতে, সরকারি উদ্যোগ সেই কমিটি পুনর্গঠিত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শের প্রতি সন্দেহাতীতভাবে নিষ্ঠাশীল এবং বঙ্গবন্ধু ও তার অবদানের প্রতিও অনুরূপভাবে শ্রদ্ধাশীল, এমন রাজনৈতিক দল, নারী সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠনগুলোর উপযুক্ত সংখ্যক প্রতিনিধি সমবায়ে ‘বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী সম্মিলিত জাতীয় উদযাপন পরিষদ’ বা এ জাতীয় নামে নতুন করে ওই কমিটি পুনর্গঠন করে প্রকৃতই জাতীয়ভাবে বছরটি উদযাপন করলে তা হবে সর্বোত্তম। এ ব্যাপারে কোনো মহল থেকেই সামান্যতম দলীয় সংকীর্ণতার প্রশ্রয় দেওয়া হলে তা হবে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

তবে চিন্তিত হই এই ভেবে যে, বাংলাদেশে সুন্দর সুন্দর প্রস্তাব/পরামর্শ দেওয়া যত সহজ, সেগুলোর বাস্তবায়ন, উপেক্ষা, অবজ্ঞা করা ততোধিক সহজ। তদুপরি সরকারি দলের আত্মম্ভরিতা, অহমিকা ও অপরের প্রতি অশ্রদ্ধাসূচক মনোভাবের ফলে ওই প্রস্তাবটি কার্যত একটি কাস্তজে প্রস্তাবে পরিণত হতে পারে অবলীলাক্রমে। বঙ্গবন্ধু এবং তার জন্মশতবর্ষ জাতীয়ভাবে উদযাপন প্রধান না হয়ে জাঁজজমক জৌলুষ উদ্ভাবনই প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়েও যেতে পারে হয়তো। স্তাবকভরা সরকারি দল স্তাবকতায় ভুল পথে পরিচালিত হতেও পারে; কিন্তু সে ক্ষেত্রে বাদ-বাকিরা কি বসে থাকবেন?

আমার মতে তা উচিত হবে না। উচিত হবে দায়সারাভাবে বছরটি পার করে দেওয়াও। সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা প্রকট কাজে হাত দেওয়া, যথার্থভাবে অগ্রসর হওয়া ছাড়া পথ নেই। সামর্থ্য বৃদ্ধির নানা পথ ও সৃজনশীলতার সঙ্গে মস্তিষ্ক পরিচালনার মাধ্যমে বিকশিত করারও বিকল্প নেই।

কিন্তু অগ্রিম কোনো বড় কিছু বা নামমাত্র কিছু না ভেবে প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, বামপন্থি ও উদার গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবতে পারেন। তারাই, আমার মতে, আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায়, প্রকৃত, বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তার অবদানের প্রতি ও তার সুমহান আদর্শের প্রতি গভীরভাবে নিষ্ঠাশীল। তাই নিদেনপক্ষে, অন্তত এই ইসু্যতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুকে যথার্থভাবে স্মরণের কার্যকর কর্মসূচি উদ্ভাবন করতে পারেন। চেষ্টা করতে পারেন দেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকেও সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি প্রণয়ন করতে।

স্মরণযোগ্য যে- এক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন;

দুই. তার মর্মান্তিক মৃতু্য ঘটেছিল ১৯৭৫ সালের মধ্য আগস্টে ও সপরিবারে নিষ্ঠুর ঘাতকদের হাতে:

তিন. অর্থাৎ তিনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও মাত্র ৫৫ বছর বয়সে এই সুন্দর পৃথিবী থেকে, বহু অসম্পূর্ণ কাজ ফেলে রেখে, বিদায় নেন;

চার. ধরা যেতে পারে যখন তার বয়স ২০ বছর তখন তিনি দেখেছেন বাড়ির ষড়যন্ত্রে দেশ (অবিভক্ত ভারত) মেতে উঠেছিল ১৯৪০ সালের নিখিল ভারত মুসলিম লীগের কাউন্সিল (লাহোর) অধিবেশন থেকে প্রস্তাব পাস হয় ধর্মের ভিত্তিতে দেশ বিভাগের।

পাঁচ. ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম সমাজের অনগ্রসরতা, অলিফা, কুশিক্ষা, বঞ্চনা যেমন স্বভাবতই তার শিশুমনকে ব্যথিত করত, হিন্দু জোতদার-জমিদারদের মুসলিমদের প্রতি অমানবিক আচরণ যেমন তাকে ক্ষুব্ধ ও বিচলিত করত, তেমনই আবার হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখেও তার চিত্ত অস্থির হয়ে উঠত। তার বয়োঃসন্ধিক্ষণেই এমন পরিস্থিতির অসহায় শিকারে পরিণত হন তিনি।

ছয়. মুসলিম লীগের কর্মী পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে ১৯৪৬ সালের গণভোটে সক্রিয়ভাবে অংশ নিলেও তিনি পাকিস্তান যখন ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো অত্যন্ত দ্রম্নততার সঙ্গেই তিনি উপলব্ধি করতে সক্ষম হলেও সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টির লক্ষ্যে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলেও, তা বাঙালি মুসলমানদের পক্ষে সহায়ক হবে না। তাই দ্রম্নততার মোহমুক্তি ঘটল এবং ১৯৪৮ সাল থেকেই তিনি মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলেন। এভাবে ধীরে ধীরে মুসলিম লীগই নয়, শুধু একটি অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদের তার উত্তোরণ করল।

বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে প্রগতিশীল উপাদানের উন্মেষকাল এভাবেই আমরা খুঁজে পেতে পারি। এ উপাদানের সঙ্গে ক্রমান্বয়ে নতুন নতুন উপাদান যুক্ত হতে যার বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৬৬ সালে তার ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির দুঃসাহসিক ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

আমরা, বাম প্রগতিশীল শক্তিসমূহ, যদি এভাবে ক্রমান্বয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবন পরিক্রমা নিবিড়ভাবে লক্ষ্য করি, তবে নিশ্চিতভাবেই বঙ্গবন্ধুর জীবনকে বৈজ্ঞানিকভাবে ইতিবাচক হিসেবেই দেখতে পাব।

কিন্তু লক্ষ্য করার বিষয়, বাংলাদেশের আজকের মুসলিম মানস কি যথার্থভাবে বঙ্গবন্ধুর ওই চেতনার বিকাশকে ধারণ করে। আজ সাম্প্রদায়িক মুসলিম লীগ থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ‘মুসলিম’ শব্দ বর্জিত আওয়ামী লীগে উত্তরণকে সঠিকভাবে দেখছে কি? দেখছে কি, এমনকি, বর্তমান আওয়ামী লীগ ও তার লাখো নেতা-কর্মীও।

গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, আজকের আওয়ামী লীগ আর সেদিনের বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ এক নয় বরং বহুলাংশে তার লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে স্পষ্টতই বিচু্যত।

\হতেমনই আবার রাষ্ট্রীয় ও সাংগঠনিক ক্ষমতার জোরে এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের ধারক হওয়ায় সহজেই দলটি ‘ধর্মনিরপেক্ষ’, ‘অসাম্প্রদায়িক’ বলে নিজেদের চালিয়ে দিতে পারছে।

কিন্তু আজকের আওয়ামী লীগ কেন পারছে না বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের মতো সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে প্রত্যক্ষভাবে রুখে দাঁড়াতে? কেন পারছে না ওই সহিংস ঘটনাগুলোর বিচার করে অপরাধীদের শাস্তি দিতে?

বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবর্ষ উদযাপন তাৎপর্য মন্ডিত ও কার্যকর হতে পারে যদি বঙ্গবন্ধুর চেতনার প্রগতিশীলতার ক্রমবিকাশ সম্পর্কে যুব সমাজকে বিজ্ঞানসম্মত ধারণা দিয়ে সেই চেতনায় তাদের উদ্বুদ্ধ করা যায়।

এই দায়িত্ব বাম-প্রগতিশীল-উদার গণতন্ত্রীদের কাঁধে আজ ঐতিহাসিকভাবেই বর্তেছে। তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে এ চেতনার দিকটি ঢাকাতে নয়, শুধু দেশের সর্বত্র তথ্যপূর্ণভাবে আলোচনায় আনা সম্ভব হয় তবে নিশ্চয়ই কিছুটা ইতিবাচক ফল বের করে আনা সম্ভব হতে পারে। সম্ভবত সবাই বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন।

একথা সত্য, সরকারি দলের সঙ্গে ঐক্য না হলে এবং তার সম্ভাবনাও বাস্তবে অত্যন্ত ক্ষীণ, একটি বছর ধরে অনুষ্ঠানাদি আয়োজন সম্ভব নয় নানা সীমাবদ্ধতার কারণে। সেক্ষেত্রে এ ব্যাপারে সম্মিলিত যা সিদ্ধান্ত হবে সেটাই শিরোধার্য। তবে কর্মসূচিগুলো যেহেতু যৌথভাবে সেহেতু উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত তা বিস্তৃত করতে পারলে কিছু সুফল বেরিয়ে আসতে পারে।

বঙ্গবন্ধুকে যদি পাকিস্তানের একজন খুদে নির্মাতা (বয়সে কিশোর এই অর্থে) হিসেবে ধরি, তবে ১৯৪৭ থেকে ১৯৪৮, ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ এবং ১৯৭১ সাল ধরে বাঙালি মানসের যে বিপস্নবী অগ্রগতি সাধন করে সমগ্র বাঙালি জাতিকে সমগ্র মুক্তিযুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন তা বিশ্বের মুক্তি আন্দোলনে নতুন প্রেরণার সূচনা করতে সক্ষম হয়েছিলে।

পাকিস্তানের সামরিক শাসক চক্র, বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ ও মধ্যপ্রাচ্যের সব মুসলিম দেশের এবং চীনের মতো প্রাচ্যের বিশালতম শক্তির বিরুদ্ধে ওই মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে উদ্দীপ্ত করার ক্ষেত্রে তার অবদান ঐতিহাসিক। অবশ্য দেশের তৎকালীন বাম ও গণতান্ত্রিক সমূহও দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে পরিচালিত ধারাবাহিক আন্দোলন সংগ্রামে যে বীরত্ব ও নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন ইতিহাসকে তার স্থানও সুউচ্চে। বঙ্গবন্ধু স্বয়ংতার স্বীকৃতি দিতে কুণ্ঠা না করলেও আজ প্রগতিশীল শক্তির দুর্বলতার কারণে ক্রমান্বয়ে দক্ষিণপন্থায় হেলে পড়া এই সরকার তা স্বীকার না করলেও ইতিহাস ইতিহাসই। তা কদাপি মিথ্যা হয় না।

দক্ষিণপন্থায় আক্রান্ত এ সরকার বঙ্গবন্ধুর বাহাত্তরের সংবিধানে জিয়া-এরশাদের বেআইনি সংশোধনী মারফত সংবিধানে লিখিত ‘বিসমিলস্নাহ’, জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মাশ্রয়ী দলগুলোর বৈধতা এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মেনে নিয়ে কার্যত বঙ্গবন্ধুর এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের নীতি-আদর্শ থেকে মারাত্মকভাবে সঙ্গে বিচু্যত হয়ে ধর্মান্ধ গোষ্ঠীগুলোর রাষ্ট্রক্ষমতা স্থায়ী করা বা ভোটের সংকীর্ণ স্বার্থে আপসের পথ বিপজ্জনক পথ বেছে নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাশ্রয়ী বাঙালি জাতির জন্য আজ এক মহাবিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দেশ ও জাতির অগ্রগতির স্বার্থে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের স্বার্থে প্রাথমিক কর্তব্যই হলো ওই সব সংশোধনী সৃষ্ট তাবৎ আবর্জনা দূর করে বাহাত্তরের সংবিধান অবিকল পুনঃস্থাপন করে বঙ্গবন্ধুর নির্দিষ্ট অবস্থানে দেশকে ফিরিয়ে নেওয়া।

বাঙালি জাতি লক্ষ্য করছে চোখ ধাঁধানো বেশ কিছু সুউচ্চ অট্টালিকা, বাজার-বিপণি, পথ-ঘাট, সেতু নির্মিত হলেও দেশের ৯৫ ভাগ মানুষের ভাগ্যে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। খড়ের ঘর থেকে টিনের ঘর- ব্যস। এছাড়া অসংখ্য বস্তি। ভয়াবহ বেকারত্ব ওই বিলাসিতার বিপরীতে কঠিন সত্যকে সামনে নিয়ে এসেছে।

এসব শোষণ, নিপীড়ন ও নীতি আদর্শ বিচু্যতির বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াই সূচনার অন্যতম ভিত্তি হতে পারে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন।

সরকারও ওই সংশোধনীগুলো বাতিল করে বাহাত্তরের মূল সংবিধান পুনঃস্থাপনে ২০২০ সালে পৌঁছার আগেই এগিয়ে এলে বঙ্গবন্ধুর লোকান্তরিত আত্মা শাস্তি পেতে পারত-দেশবাসীও আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে উৎসাহিত হতো। হেফাজতের মতো অপশক্তিকে কার্যত উপদেষ্টার আসনে বসানো দেশের প্রগতিসম্মুখীন অগ্রযাত্রাকে পশ্চাতেই টানছে শুধু। সরকারকে এ আত্মঘাতী পথ পরিত্যাগ করতেও আহ্বান জানাই।

Check Also

চীন-মার্কিন সমঝোতার কথা বললেন হেনরি কিসিঞ্জার

জামালউদ্দিন বারী   :    এক সময় যারা গোটা বিশ্বব্যবস্থার উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *