Wednesday , November 20 2019
Breaking News
Home / ফটো গ্যালারি / বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন সম্পর্কে মজার অজানা কথা

বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন সম্পর্কে মজার অজানা কথা

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। ৪ মার্চ, ১৮৭৯ জার্মানির উলমা শহরে জন্ম। বাবা ছিলেন হারমান আইনস্টাইন আর মা পাওলিন। স্কুল শেষ করে জুরিখের পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটিতে পাড়শোনা শুরু করেন অ্যালবার্ট।

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। ৪ মার্চ, ১৮৭৯ জার্মানির উলমা শহরে জন্ম। বাবা ছিলেন হারমান আইনস্টাইন আর মা পাওলিন। স্কুল শেষ করে জুরিখের পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটিতে পাড়শোনা শুরু করেন অ্যালবার্ট।

১৯০৫ সাল ছিল আইনস্টাইনের জীবনের অন্যতম বিস্ময়কর বছর। এই বছরে তার তিনটি পেপার প্রকাশ পায়। প্রথম পেপারে বিশেষ আপেক্ষিকতাবাদের ভিত তৈরি। দ্বিতীয় পেপারে ব্রাউনিয়ান মোশন থেকে অণুর অস্তিত্ব শনাক্ত করা। আর তৃতীয় পেপারে আলোর কণা কোয়ান্টামের প্রয়োগ, যার সূত্রে আইনস্টাইনের নোবেল পুরস্কার।

১৯০৫ সাল ছিল আইনস্টাইনের জীবনের অন্যতম বিস্ময়কর বছর। এই বছরে তার তিনটি পেপার প্রকাশ পায়। প্রথম পেপারে বিশেষ আপেক্ষিকতাবাদের ভিত তৈরি। দ্বিতীয় পেপারে ব্রাউনিয়ান মোশন থেকে অণুর অস্তিত্ব শনাক্ত করা। আর তৃতীয় পেপারে আলোর কণা কোয়ান্টামের প্রয়োগ, যার সূত্রে আইনস্টাইনের নোবেল পুরস্কার।

এমন বিস্ময় বিজ্ঞানীর এমন কিছু স্বভাব ছিল, যেগুলো অনেকের কাছে মোটেই স্বাভাবিক ছিল না। তার মতো একজন বিজ্ঞানী যে এগুলো করতে পারেন, তা কল্পনাও করতে পারতেন না অনেকেই। আবার অনেকের মতে, এই স্বভাবগুলোই আইস্টাইনের মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ করে তুলেছিল।

এমন বিস্ময় বিজ্ঞানীর এমন কিছু স্বভাব ছিল, যেগুলো অনেকের কাছে মোটেই স্বাভাবিক ছিল না। তার মতো একজন বিজ্ঞানী যে এগুলো করতে পারেন, তা কল্পনাও করতে পারতেন না অনেকেই। আবার অনেকের মতে, এই স্বভাবগুলোই আইস্টাইনের মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ করে তুলেছিল।

রোজ অন্তত ১০ ঘণ্টা ঘুমোতেন তিনি। যেখানে বর্তমানে মানুষের ঘুমের গড় হিসাব ৬-৮ ঘণ্টা। এই ঘুমের মধ্যেই অনেক বিজ্ঞানী নাকি কঠিন সমস্যার সমাধান করে ফেলেছিলেন। যেমন বিজ্ঞানী ওয়াটসন ডিএনএ-র গঠন বুঝে ফেলেছিলেন বা আইনস্টাইন আপেক্ষিকতাবাদের সূত্র।

রোজ অন্তত ১০ ঘণ্টা ঘুমোতেন তিনি। যেখানে বর্তমানে মানুষের ঘুমের গড় হিসাব ৬-৮ ঘণ্টা। এই ঘুমের মধ্যেই অনেক বিজ্ঞানী নাকি কঠিন সমস্যার সমাধান করে ফেলেছিলেন। যেমন বিজ্ঞানী ওয়াটসন ডিএনএ-র গঠন বুঝে ফেলেছিলেন বা আইনস্টাইন আপেক্ষিকতাবাদের সূত্র।

প্রিন্সটনে কাজ করার সময় আইনস্টাইন রোজ প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ হেঁটে কর্মক্ষেত্রে যেতেন। কারণ আইনস্টাইন মনে করতেন এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

প্রিন্সটনে কাজ করার সময় আইনস্টাইন রোজ প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ হেঁটে কর্মক্ষেত্রে যেতেন। কারণ আইনস্টাইন মনে করতেন এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

ভায়োলিন বাজাতে খুব পছন্দ করতেন আইনস্টাইন। মস্তিষ্কের সঙ্গে হাত আর চোখের সমন্বয় ঘটে। তাই প্রায়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভায়োলিন বাজাতেন তিনি। তিনি বলতেন, ক্ল্যাসিকাল মিউজিক কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমিয়ে মনকে চাপমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

ভায়োলিন বাজাতে খুব পছন্দ করতেন আইনস্টাইন। মস্তিষ্কের সঙ্গে হাত আর চোখের সমন্বয় ঘটে। তাই প্রায়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভায়োলিন বাজাতেন তিনি। তিনি বলতেন, ক্ল্যাসিকাল মিউজিক কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমিয়ে মনকে চাপমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

স্প্যাগেটি খেতে দারুণ ভালবাসতেন তিনি। শুধু ভালোলাগার জন্যই যে স্প্যাগেটি খেতেন তা-ই কিন্তু নয়। সারা শরীরের ২০ শতাংশ এনার্জি প্রয়োজন ব্রেনের। আর আইনস্টাইনের মতে, স্প্যাগেটির কার্বোহাইড্রেট ব্রেনের জন্য খুব ভালো এনার্জির উৎস।

স্প্যাগেটি খেতে দারুণ ভালবাসতেন তিনি। শুধু ভালোলাগার জন্যই যে স্প্যাগেটি খেতেন তা-ই কিন্তু নয়। সারা শরীরের ২০ শতাংশ এনার্জি প্রয়োজন ব্রেনের। আর আইনস্টাইনের মতে, স্প্যাগেটির কার্বোহাইড্রেট ব্রেনের জন্য খুব ভালো এনার্জির উৎস।

আইনস্টাইনের একটা বদভ্যাস ছিল ধূমপান। তার মুখে সারাক্ষণই পাইপ থাকত আর ধোঁয়ার কুণ্ডলী তাকে ঘিরে থাকত সর্বক্ষণ।

আইনস্টাইনের একটা বদভ্যাস ছিল ধূমপান। তার মুখে সারাক্ষণই পাইপ থাকত আর ধোঁয়ার কুণ্ডলী তাকে ঘিরে থাকত সর্বক্ষণ।

জানা যায়, শেষ জীবনে আইনস্টাইন নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলেন তিনি ১৯৫৩ সালে বন্ধু ম্যাক্স ক্যারিয়েলকে চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘আমি যখনই প্রাণীর মাংস খেতাম, ভিতরে ভিতরে একটা অপরাধবোধ জাগত।’

জানা যায়, শেষ জীবনে আইনস্টাইন নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলেন তিনি ১৯৫৩ সালে বন্ধু ম্যাক্স ক্যারিয়েলকে চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘আমি যখনই প্রাণীর মাংস খেতাম, ভিতরে ভিতরে একটা অপরাধবোধ জাগত।’

আইনস্টাইন কখনো মোজা পরতেন না। ছোট থেকেই এই অভ্যাস তৈরি হয়েছিল তার। তিনি বিশ্বাস করতেন, যেটা আরামদায়ক হবে সেটাই পরা উচিত। মোজা তার কাছে একেবারেই তেমনটা ছিল না।

আইনস্টাইন কখনো মোজা পরতেন না। ছোট থেকেই এই অভ্যাস তৈরি হয়েছিল তার। তিনি বিশ্বাস করতেন, যেটা আরামদায়ক হবে সেটাই পরা উচিত। মোজা তার কাছে একেবারেই তেমনটা ছিল না।

আইনস্টাইন কখনও সাঁতার শেখেননি। এ দিকে তার ইচ্ছা ছিল ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলে ভেসে থাকা। ফলে নৌকা তার সেই ইচ্ছাপূরণ ঘটিয়েছিল।

আইনস্টাইন কখনও সাঁতার শেখেননি। এ দিকে তার ইচ্ছা ছিল ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলে ভেসে থাকা। ফলে নৌকা তার সেই ইচ্ছাপূরণ ঘটিয়েছিল।

Check Also

যেসব দেশ পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষে

চীন: পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে চীন। সে দেশে প্রতি বছর ২০০ লাখ টনেরও বেশি পেঁয়াজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *