Monday , November 18 2019
Home / বিনোদন / অন্ধ অবিনাশের গান শুনে কাঁদছে কোটি কোটি দর্শক

অন্ধ অবিনাশের গান শুনে কাঁদছে কোটি কোটি দর্শক

বিনোদন ডেস্ক :  এক দুর্ঘটনায় দুই চোখই অন্ধ হয়ে যায় অবিনাশের। চোখ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এমন কী বেঁচে থাকার মানেও খুঁজে পাচ্ছিলেন না। সেই অভিনাশের গান শুনেই এখন কাঁদছে কোটি কোটি দর্শক শ্রোতা। তার অসাধারণ গায়কি খুব সহজেই হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

ভারতীয় টেলিভিশন সোনি টিভির আলোচিত সংগীতের প্রতিযোগিতার ১১তম সিজিনে অংশ নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, মেজিয়ার অর্ধ গ্রামের ছেলে অবিনাশ। ইন্ডিয়ান আইডলের মঞ্চে বিশাল-শেখরের সুরে রাহাত ফতেহ আলী খানের গাওয়া ‘তু না জানে আশপাশকে’ শিরোনামের গান গেয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন তিনি।

মঞ্চে বিচারক সারিতে ছিলেন নেহা কক্কর, বিশাল দাদলানি ও আনুমালিক। অবিনাশের গান শুনে কেঁদেছেন নেহা কাক্কার। চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে পড়েছেন আনু মালিক। গান গাওয়া শেষে আনু মালিক বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরেন অবিনাশকে।

নেহা কাক্কার অবিনাশের কাছে জানতে চান তোমার চেহারায় কী হয়েছে? অবিনাশ বলেন, ‘এক দুর্ঘটনায় আমার চেহারা আগুনে ঝলসে যায়। আমার দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। আমি বাবাকে বলেছিলাম। আমার বেঁচে থেকে কী হবে! চোখ ছাড়া আমি কীভাবে চলবো। বাবা বলেছিলেন চোখ না থাকলেও মানুষ অনেক কিছু করতে পারে। আজ ইন্ডিয়ান আইডলের মঞ্চে আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।’

বিশাল দাদলানি বলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত শিল্পী আছেন যাদের চোখ ছিল না। এর মধ্যে বিখ্যাত শিল্পী হলেন স্টিভ ওয়ান্ডার, রবীন্দ্র জায়েন। মনে রেখো তুমি গান ভালোবাসো। গান তোমাকে ছেড়ে কখনোও যাবে না। তোমার কণ্ঠে গানটি শুনে নতুন করে এই গানের অর্থ আবিষ্কার করেছি।’

ইন্ডিয়ান আইডলের অবিনাশের গাওয়া সেই গানের ভিডিও এখন ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সংগীতপ্রেমীরা তার গান শেয়ার করে তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। কোটি কোটি মানুষ শুনছে তার গান। এক গান শুনলে অনেকের পক্ষেই চোখের পানি আটকে রাখা সম্ভব নয়।

রানুর মতো সেয়ানা কে বানিয়ে কি হবে। এই ভাই কে ভাইরাল করি যদি একটু মন হালকা হয়💝💝💝💝

Posted by Prosenjit Pal on Monday, October 14, 2019

Check Also

সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছে ছোট্ট সালমান শাহ

বিনোদন ডেস্ক :  বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুদর্শন নায়কের নাম সালমান শাহ। মাত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *