Wednesday , January 29 2020
Home / আর্ন্তজাতিক / সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান, কালো তালিকাভুক্তির মুখে পাকিস্তান

সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান, কালো তালিকাভুক্তির মুখে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান বিরোধী পর্যবেক্ষক সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্স (এফএটিএফ) পাকিস্তানকে তাদের ‘ডার্ক গ্রে’ বা গাঢ় ধূসর তালিকায় নামিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সংস্থাটির চলমান অধিবেশনে পাকিস্তানকে শেষবারের মতো সতর্ক করা হয়েছে।

সন্তাসবাদে অর্থ জোগান দেয়ায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে সংস্থাটির সদস্যরা। কর্মকর্তারা বলছেন পাকিস্তানের যদি সন্ত্রাসবাদে সহযোগিতায় তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করে তাহলে ডার্ক গ্রে নামিয়ে দেয়া হবে দেশটিকে।

এফএটিএফ পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সময়সীমা নির্ধারিত করে দিলেও তার তা পূরণ করতে পারছে নো দেখে প্যারিসে চলমান অধিবেশনে উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, পাকিস্তান যথাযথ অবস্থান না নেয়ায় অন্য সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করার আগে এটাই শেষ সতর্কবার্তা। সন্ত্রাস দমনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না গ্রহণ করায় এফএটিএফ-এর রোষের মুখে পড়বে পাকিস্তান। বেধে দেয়া ২৭টি আইটেমের মধ্যে মাত্র ৬টিতে পাস করেছে দেশটি। আগামী ১৮ অক্টোবর পাকিস্তানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংস্থাটি।

এফএটিএফের নিয়ম অনুযায়ী ‘গ্রে’ এবং ‘ব্ল্যাক’ অর্থাৎ ধূসর এবং ‘কালো’ তালিকার মধ্যবর্তী যে পর্যায় সেটি ‘ডার্ক গ্রে’ বা ‘গাঢ় ধূসর’ হিসেবে পরিচিত। ডার্ক গ্রের অর্থ হলো সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতি একটি কড়া সতর্কবার্তা জারি করা, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশটি উন্নতির শেষ সুযোগ পায়।

১৯৮৯ সালে বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম নজরদারি করার জন্য এফএটিএফ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে অর্থ জোগানো এবং সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অন্যান্য হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রতিষ্ঠিত।

গত বছরের জুনে সংস্থাটি পাকিস্তানকে গ্রে তালিকাভূক্ত করে। তারপর সন্ত্রাসবাদ রুখতে ২০১৯ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দেয়। সঙ্গে এই সতর্কবার্তা দেয়া হয়, পাকিস্তান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে তাদের।

পাকিস্তান যদি ‘ধূসর তালিকা’ থেকে ‘গাঢ় ধূসর তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে দেশটির পক্ষে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। ফলে পাকিস্তানের বর্তমান আর্থিক অবস্থা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

Check Also

অস্ট্রেলিয়ায় চীনা শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ায় কড়াকড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :      করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ায় কড়াকড়ি আরোপ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *