Home / জাতীয় / যমুনা ফিউচার পার্কে ‘হোলসেল ক্লাব’ উদ্বোধন

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘হোলসেল ক্লাব’ উদ্বোধন

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্কে মার্কিন স্টাইলে হোলসেল হাইপার মার্কেট ‘হোলসেল ক্লাব’ উদ্ধোধন করা হয়েছে। দেশের স্বনামধন্য গ্রুপ অব কোম্পানি যমুনা গ্রুপ অত্যাধুনিক সুবিধা সংবলিত এ মার্কেট নিয়ে এসেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যমুনা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম ইসলাম, পরিচালক মনিকা নাজনিন ইসলাম, পরিচালক সুমাইয়া হোসেন ইসলাম (রোজালিন), পরিচালক (হিসাব) শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, পরিচালক কামরুল ইসলাম, পরিচালক জাকির হোসেন, পরিচালক মেহনাজ ইসলাম (তানিয়া)সহ প্রমুখ।

এক লাখ বর্গফুট আয়তনের দেশের বৃহৎ এ ক্লাব থেকে দেশি-বিদেশি সব ধরনের পণ্য ক্রেতারা পাইকারি দামে কিনতে পারবেন। ভেজালমুক্ত সব ধরনের পণ্য এক ছাদের নিচে পাবেন তারা। ফিউচার পার্কের মাইনাস টু ফ্লোরে (ভারতীয় ভিসা সেন্টারের নিচতলা) বিকাল ৪টায় মার্কেটটির উদ্বোধন করা হবে।

জানা গেছে, এখানে কসমেটিক্স, খাবার আইটেম, কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্য পাইকারি দামে পাওয়া যাবে। ক্রেতাদের ভিড় এড়াতে ৩০টি ক্যাশ কাউন্টার থাকবে। এখানে একসঙ্গে অনেক ক্রেতা বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

জানতে চাইলে যমুনা গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং, সেল অ্যান্ড অপারেশন) ড. মোহাম্মদ আলমগীর আলম বলেন, দেশে বিভিন্ন কোম্পানি বেশ কিছু সুপার শপ দিয়েছে। কিন্তু অত্যাধুনিক সুবিধা সংবলিত হাইপার মার্কেট এবারই প্রথম উদ্বোধন হচ্ছে। এখানে মেম্বারশিপ নিলে সম্পূর্ণ পাইকারি সুবিধায় পণ্য পাবেন ক্রেতারা। দুই ধরনের মেম্বারশিপ কার্ড রয়েছে। এগুলো হল- রেগুলার ও বিজনেস কার্ড এবং এক্সক্লুসিভ কার্ড।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান সুপার শপগুলোর মতো এ মার্কেটটি নয়। সম্পূর্ণ আমেরিকান স্টাইলের এত বড় মার্কেট বাংলাদেশের কোথাও নেই। সবচেয়ে বড় বিষয় হল- এখানে সব ধরনের পণ্যের গুণগতমান ঠিক রেখে বিক্রি করা হবে।

ক্রেতাদের হাতে তাদের পছন্দের আসল পণ্য আমরা তুলে দিতে চাই। শুরুতে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেটটি খোলা থাকবে। তবে ক্রেতাদের চাহিদার বিবেচনায় তা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

জানা গেছে, রেগুলার ও বিজনেস কার্ডের মূল্য এক হাজার ৫০০ টাকা। এ কার্ডে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাবেন ক্রেতারা। আর এক্সক্লুসিভ তিন হাজার ৫০০ টাকা। তবে এর মধ্যে তিন হাজার টাকার পণ্য গিফট হিসেবে ফেরত দেয়া হবে। এছাড়া সব ধরনের পণ্যে ডিসকাউন্টের পাশাপাশি বছরে দুই শতাংশ ক্যাশ ব্যাক পাবেন ক্রেতারা।

Check Also

করোনায় আক্রান্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় কুইক রেসপন্স টিম

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     করোনা আক্রান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় কুইক রেসপন্স টিম গঠন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *