Thursday , October 24 2019
Home / জাতীয় / অস্ত্র ও মাদক মামলায় খালেদের ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

অস্ত্র ও মাদক মামলায় খালেদের ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     মাদক, অস্ত্র ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় যুবলীগ নেতা খালেদের ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশান থানার করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ওই থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদার আদালতে এ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, খালেদকে নিয়ে আদালতের পথে রওনা হয়েছে গুলশান থানা পুলিশ।

খালেদের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়েছে। দুপুরে র‍্যাবের পক্ষ থেকে গুলশান থানায় মামলাগুলো করা হয়।

এর আগে আটক খালেদকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় র‌্যাব। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় গুলশান-২ এর নিজ বাসা থেকে খালেদ মাহমুদকে আটক করে র‌্যাব।

র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, আটক খালেদকে র‌্যাব-৩ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, ক্যাসিনো ও মাদক ব্যবসা নিয়ে আটক খালেদকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে গুলশান থানায় ও মাদক আইনে মতিঝিল থানায় পৃথক দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। র‌্যাব বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে এ দুটি মামলা করবে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। আটকের পর তাকে র‍্যাব-৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

গ্রেফতারের সময় খালেদের বাসা থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা, লকার থেকে ১০০০, ৫০০ ও ৫০ টাকার বেশ কয়েকটি বান্ডিল উদ্ধার করা হয়। সেগুলো গণনার পর ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া ডলারেরও বান্ডিল পাওয়া যায়। টাকায় তা ৫-৬ লাখ টাকা হবে বলে জানায় র‌্যাব। এছাড়া তার কাছ থেকে মোট ৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। যার একটি লাইসেন্সবিহীন, অপর দুটি লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ করে রাখা হয়েছিল।

দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে মতিঝিলের ক্যাসিনো পরিচালনার বিষয়টি মতিঝিল থানা পুলিশ, মতিঝিল জোন, পুলিশ সদর দফতর ও ডিএমপি সদর দফতরের কর্মকর্তারা জানতেন বলে দাবি করেন খালেদ। তবে পুলিশের সঙ্গে ক্যাসিনো পরিচালনার জন্য কোনো আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে কিছু বলেননি তিনি।

সূত্র জানায়, খালেদের ক্যাসিনোর বিষয়ে পুলিশ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য সংস্থা এবং রাজনীতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জানতেন। তাদের ‘ম্যানেজ করে’ ক্যাসিনো চালাতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি।

Check Also

১০০ উপজেলায় ১০০ টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজ নির্মাণ শুরু

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :     দেশের সকল উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রথম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *