Monday , December 17 2018
Home / উপ-সম্পাদকীয় / ব্যবসা সূচকে অবনমন দেশের জন্য লজ্জাজনক

ব্যবসা সূচকে অবনমন দেশের জন্য লজ্জাজনক

আবুল কাসেম হায়দার  :    সহজে ব্যবসা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৬তম। কিন্তু ২০০৮ সালে বিশ্ব ব্যাংকের সহজে ব্যবসা সূচক প্রতিবেদনে আমাদের অবস্থান ছিল ১১৫তম। অর্থাৎ বিগত ১০ বছরে আমরা ৬১ ধাপ পিছিয়েছি। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন সূচকে উন্নতি লাভ করে। আর আমরা ব্যবসা সহজ সূচকে পিছিয়ে পড়েছি। এই অবস্থা আমাদের জন্য খুবই লজ্জাজনক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে ২০০৮ সালে আমরা সহজে ব্যবসা সূচকে ১ ধাপ এগিয়ে ছিলাম। আর বর্তমান ২০১৮ সালের বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে আমরা ভারতের তুলনায় ৯৯ ধাপ পিছনে অবস্থান করছি।
বিশ্বব্যাংকের সহজে ব্যবসা সূচকে ১০ বছর আগে বাংলাদেশের বেশ পেছনে ছিল ভারত। এরপর বাংলাদেশ শুধু পিছিয়েছে। আর ভারত মাত্র তিন বছরে ৫৩ ধাপ এগিয়ে ৭৭তম অবস্থানে উঠে এসেছে। তলানিতে থাকা আফগানিস্তান পাঁচটি কাজ করে ১৬ ধাপ লাফ দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক ২০০৮ সালে যে ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদন প্রকাশ করে, তাতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১৫তম। এরপর থেকে বাংলাদেশের অবস্থান শুধু নামছে। চলতি বছর এক ধাপ উন্নতি করে ১৯০টি দেশের মধ্যে অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৭৬তম। তাতে দক্ষিণ এশিয়ার সব কটি দেশের পেছনে পড়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদন-২০১৯ গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশ করা হয়। মোটা দাগে ১০টি ভিত্তির ওপরে বিশ্বব্যাংক ডুয়িং বিজনেসের র‌্যাঙ্কিং করে। এগুলো হলো: ব্যবসা শুরুর অনুমোদন, ভবন নির্মাণের অনুমতি, বিদ্যুৎ সংযোগ, সম্পত্তি নিবন্ধন, ঋণপ্রাপ্তি, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা, কর প্রদান, বৈদেশিক বাণিজ্য, চুক্তির বাস্তবায়ন ও দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া।
এ প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই আফগানিস্তানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর শুভম চৌধুরী সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এক লেখায় দেশটির উন্নতির কারণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগে আফগানিস্তানে ব্যবসা শুরুর সনদ পেতে দেশটির মুদ্রায় ৩২ হাজার আফগানি (৪২০ মার্কিন ডলার) খরচ হতো। প্রক্রিয়া এক ছাদের নিচে নিয়ে এসে তারা ওই ব্যয় কমিয়ে ১০০ আফগানিতে নিয়ে এসেছে। দ্বিতীয় যে সংস্কার আফগানিস্তান করেছে, সেটি হলো, বড় করদাতাদের কর দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা। আফগানিস্তানের বড় করদাতারা এখন করের ঘোষণা অনলাইনে দিতে পারেন। পাশাপাশি তাঁদের কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হয়। চলতি বছরের ৮ মার্চ আফগান সরকার নতুন সীমিত দায়বদ্ধতার কোম্পানি আইন পাস করে। এই নতুন আইন করপোরেট সুশাসন বাড়িয়েছে এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। আফগানিস্তান দেউলিয়া ঘোষণার ক্ষেত্রে নতুন আইন করেছে। নতুন আইনটি ব্যবসায়ীদের ঋণ পাওয়া সহজ করেছে ।
এসব সংস্কার আফগানিস্তানকে বাংলাদেশের সামনে নিয়ে গেছে। তার অবস্থান ১৮৩ থেকে উন্নীত হয়ে ১৬৭তম হয়েছে। যদিও অর্থনীতি, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সব দিক দিয়ে বাংলাদেশের পেছনে দেশটি। তাকে নিয়মিত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করতে হয়। যুদ্ধের ধকলও কাটিয়ে উঠতে পারেনি এখনো। ভারতের উন্নতি কীভাবে, তা তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠির ঢাকা কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ এবং বাণিজ্য ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বিভাগের প্রধান মাশরুর রিয়াজ। তিনি বলেন, ভারত ২০১৫ সালের শুরুর দিকে এ ক্ষেত্রে কার্যক্রম শুরু করে। এটি দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অগ্রাধিকার কাজের একটি। ভারতের সংস্কারের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে কাজ করেছেন মাশরুর রিয়াজ। তিনি বলেন, ভারতের উন্নতির মূল কারণ, রাজনৈতিক নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায় থেকে লক্ষ্য ঠিক করা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ডুয়িং বিজনেসে সংস্কারের ক্ষেত্রে কতটুকু উন্নতি হলো, তা দুই মাস পরপর যাচাই করেন। আর প্রধানমন্ত্রী তিন মাসে একবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি নিয়ে সভা করেন, যার মধ্যে ডুয়িং বিজনেসও আলোচনায় আসে। তিনি আরও বলেন, ভারত ডুয়িং বিজনেসে উন্নতির জন্য কী করতে হবে, তার কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে তা ধরে ধরে বাস্তবায়ন করছে। কোনো কর্মকর্তা যদি তা করতে না পারেন, তাহলে তাঁকে জবাবদিহি করতে হয়। অগ্রাধিকার দেওয়া এবং নিয়মিত নজরে রাখার সুফলও ভারত পেয়েছে। ২০১৬ সালের ডুয়িং বিজনেস সূচকে ভারতের অবস্থান ছিল ১৩০তম। দুই বছর পর তা ৭৬তম অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার ডুয়িং বিজনেসে উন্নতির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয় ২০১৬ সালে। ওই বছরের ১৯ নভেম্বর সোনারগাঁও হোটেলে সচিবদের নিয়ে এক সভায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম এ সূচকে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দুই অঙ্ক, অর্থাৎ কমপক্ষে ৯৯তম অবস্থানে নিয়ে আসার লক্ষ্যের কথা জানান। এরপর ডুয়িং বিজনেসের ১০টি বিষয়ের ৮টিতে কী কী সংস্কার করতে হবে, তা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযোগ আছে, ক্ষমতা ছাড়তে না চাওয়ার মানসিকতা সংস্কারকে আটকে রেখেছে। কিছুটা কাজ হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে। ফলে সেখানে উন্নতিও হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ৭ ধাপ পিছিয়ে ১৩৮, নির্মাণের অনুমতিতে ৮ ধাপ পিছিয়ে ১৩৮, ঋণের প্রাপ্যতায় ২ ধাপ পিছিয়ে ১৬১, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ১৩ ধাপ পিছিয়ে ৮৯, বৈদেশিক বাণিজ্যে ৩ ধাপ পিছিয়ে ১৭৬, দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়ায় ১ ধাপ পিছিয়ে ১৫৩তম অবস্থান পেয়েছে। বাংলাদেশেও ডুয়িং বিজনেসে উন্নতির সঙ্গে কাজ করছেন মাশরুর রিয়াজ। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্য কী, জানতে চাইলে তিনি দুই দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, বাংলাদেশে বিডা আপ্রাণ চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা আছে। এখন প্রতিটা বিষয় অনুযায়ী বাস্তবায়নের জন্য টাস্কফোর্স দরকার এবং কাজ কতটুকু হচ্ছে, তার সমন্বিত নজরদারি দরকার।
শিল্প খাতে যে ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, সে অনুযায়ী জনশক্তি তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশে যারা কাজ করছেন, তারাও সন্তুষ্ট নন। আইএলওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাজে যুক্ত ৫৪ শতাংশ বাংলাদেশি মনে করেন, তাদের যথাযথ হারে বেতন বা মজুরি দেওয়া হয় না। অবশ্য এটা অঞ্চলের সাধারণ চিত্র। এ বিষয়ে আইএলওর প্রতিবেদনের লেখক সারা এলডার বলেন, ‘এই অঞ্চলে ব্যাপক অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে। তারপরও এটা খুবই হতাশাজনক যে এখনো অনেক শ্রমিক শুধু খেয়ে-পরে বেঁচে থাকে। আহত হওয়া, চাকরি হারানো, দুর্যোগ, ফসলহানি তাদের দারিদ্র্যসীমার নিচে টেনে নেওয়ার ঝুঁকিতে রাখে।’
সহজে ব্যবসা সূচকে আমাদের পিছিয়ে পড়ার অনেকগুলি কারণ রয়েছে। কারণগুলিকে চিহ্নিত করে দ্রæত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। তা না হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা কঠিন হবে। বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বেশি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। যে সকল পদক্ষেপ জরুরি সে বিষয়ে আমরা কিছুটা আলোচনা করার চেষ্টা করব। সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে সমাধানের কিছু পরামর্শ সরকারের বিবেচনায় নেয়ার জন্য পেশ করছি।
দুর্নীতি ও অনিয়ম : আমাদের সহজে ব্যবসা সূচকে পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ দুর্নীতি ও অনিয়ম। আজ দেশে অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতিকে সমাজে মনে করা হচ্ছে কিছুই না। দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য করে বড় লোক হলে তখন সমাজে তিনি বেশ সমাদৃত হচ্ছেন। একসময় দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোরকে মানুষ ঘৃণা করত। ঘুষখোরদের সঙ্গে সমাজে মানুষ বিয়ে সাদি করতে পর্যন্ত দ্বিধা করত। আজ সে সকল বিষয় কেউ যেন শুনতে চান না বা প্রয়োজন মনে করেন না। অনেকে ঘুষ থেকে অর্থশালী হয়ে দান সদকা করে, মসজিদ মাদরাসা, স্কুল কলেজ করে সমাজে দানবীর হয়ে যাচ্ছেন। সমাজে এই সকল ব্যক্তি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। আমাদেরকে ঘুষ গ্রহণ ও প্রদান উভয়কে ঘৃণা করতে হবে। ঘোষখোর ব্যক্তিদের দানকে গ্রহণ করা যাবে না। তার দানের প্রতি মানুষের আগ্রহ না বাড়িয়ে ঘৃণাকে বাড়াতে হবে। তবেই সমাজ থেকে ঘুষ-দুর্নীতি কমে আসবে। ব্যবসা তখন করা সহজ হবে। সূচক তখন অনেক অনেক উপরে চলে আসবে।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিশেষ সেল গঠন: আমাদের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অসীম। সকল ক্ষমতার উৎস প্রধানমন্ত্রী। তাই সহজে ব্যবসা করার বিষয়টি তদারকী করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে একটি বিশেষ ‘সেল’ গঠন করা জরুরি। উক্ত সেলের মাধ্যমে প্রতি মাসে বিষয়টি নিয়ে সংশিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে নির্দেশনা প্রধান করতে হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তবেই পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই কাজটি সুন্দরভাবে হচ্ছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী প্রতি তিন মাস পর পর নিজে বিষয়টি তদারকী করে দেখছেন। তাই ভারতের উন্নতি দৃশ্যমান।
ক্ষমতাকে আকড়ে রাখার ইচ্ছা: সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যক্তিদের ক্ষমতা ছেড়ে সহজে মানুষের উপকার করার মানসিকতার খুবই অভাব রয়েছে। ক্ষমতা কেউ ছাড়তে চান না। নিজে কাজ করতে না পারলেও ক্ষমতা ছাড়তে চান না। তাতে দেশের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে, এই বিষয়টি নিয়ে কর্তা ব্যক্তিরা চিন্তা করতে চান না। ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ সহজ করতে হবে। ক্ষমতা যত বেশি অন্যকে দিয়ে দ্রæত কাজ সমাধা করা যায় সেই দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। বর্তমানে বিশ্ব ব্যাংক মোটা দাগে ১০টি বিষয়ের উপরে ডুইং বিজনেস বিষয়কে র‌্যাঙ্কিক করে। এই ১০টি বিষয় সংস্কার করা কোনো কঠিন কাজ নয়। প্রয়োজন সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতার। আমাদেরকে এই ১০টি সূচক নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকার জানে বিষয়গুলি। কীভাবে করতে হবে তাও সরকারি কর্তা ব্যক্তিরা জানেন। তবে করছেন না বা করতে পারছেন না। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। দেশে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সদিচ্ছা রয়েছে। কিন্তু কার্যকারিতার উপর তদারকি কম। আইনের সাশনের অভাব রয়েছে। অন্যায়কে দেখে না দেখার ভান করার প্রবণতা বেশি। তা ছাড়া দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সব বিষয় বিবেচনা করার ইচ্ছাটাকে সম্পূর্ণরূপে পরিহার করা দরকার। আইনের চোখে সকলকে সমান দেখতে হবে। বিচারকে বিচারের মতো করে করতে হবে। তবেই সহজে ব্যবসা সূচকে আমরা এগিয়ে আসতে পারব।
রাজনৈতিক পরিবেশের উন্নতি: সহজে ব্যবসা সূচক উন্নতি করার জন্য দেশের স্থিতিশীল, সৃজনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ থাকা জরুরি। আমাদের দেশে বিগত ১০ বছর ধরেই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে দেশে রাজনৈতিক বিভাজন শুরু হয়েছে বেশি করে। দেশ আজ বলতে গেলে দুই ভাগে বিভক্ত। এই অবস্থায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি হওয়া কঠিন। বিশেষ করে ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর দেশে রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দেশে-বিদেশে বেশ প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এই অবস্থার পরিবর্তন খুবই প্রয়োজন। আগামী সংসদ নির্বাচন তাই সকলের অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করা জরুরি। সরকার চেষ্টা করছে। বিরোধী দলসমূহও চেষ্টা করছে। দেশের স্বার্থে সকলকে একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তি ও দলের স্বার্থ চেয়ে দেশের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

Check Also

এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যুবশক্তির গুরুত্ব

মো. ওসমান গনি  :   টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের নতুন চ্যালেঞ্জ এখন আমাদের সামনে। ইতোমধ্যেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *