Monday , December 17 2018
Home / জাতীয় / ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি চাইল বিএনপি

ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি চাইল বিএনপি

ঢাকার ডাক ডেস্ক   :    বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন থেকে আচরণবিধি পালন সংক্রান্ত চিঠির পরই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে দলটি।

শুধু সচিব নন; ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জোনের উপ-কমিশনার ও সচিবালয়ের যুগ্ম সচিবেরও শাস্তি চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাস্তা বন্ধ করে যানজট সৃষ্টি করে মনোনয়নপত্র বিতরণ করে । মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ঢাকাঢোল পিটিয়ে মোটরসাইকেল, গাড়ি, পিকআপে বিভিন্ন স্থান থেকে ধানমন্ডি যায় এবং রাস্তাঘাট বন্ধ করে মনোনয়ন সংগ্রহ করে। এছাড়া নিজেদের প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দুজন নিহত হয়। এ সময় পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। অথচ বিএনপির মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বতস্ফূর্ত জনগণের ঢল দেখে নির্বাচন কমিশন সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের গায়ে জ্বালা ধরে।

কমিশন নড়েচড়ে বসে। ‘কথিত আচরণবিধি’র নামে খড়্গ নেমে আসে বিএনপির ওপর। ইসি সচিব গণমাধ্যমে আচরণবিধি পালনের কঠোর হুমকি নিয়ে ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন’ বলে চিহ্নিত করে। এটি একটি ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণ।

১৩ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশনা নেতাকর্মী, সমর্থকসহ জনগণের অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের দেয়া বক্তব্য বিভ্রান্তিমূলক এবং ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানের বক্তব্যে ঘটনা সংগঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলেও মন্তব্য করা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে প্রশ্ন রাখা হয়, আওয়ামী লীগের জনসমাগমে এ ঘটনা ঘটেনি কিন্তু বিএনপির সময় ১৪ নভেম্বর এ ঘটনা কীভাবে ঘটল?

চিঠিতে দাবি করা হয়, এই ‘সন্ত্রাসী’ হামলায় বিএনপির অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন ও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করেছে। ৭০ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং ৩৮ জন নেতাকর্মীকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় ‘নির্বাচন কমিশনের সচিব, ঢাকা মেট্রাপলিটন পুলিশের কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং জারিকৃত পত্রের স্বাক্ষরকারী নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে চিঠিতে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, পুনর্নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর এবং ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর।

Check Also

ভোটের মাঠে সরব আ.লীগ, বাধার মুখে বিএনপি

নরসিংদী   প্রতিনিধি  :    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে নরসিংদী-২ (পলাশ) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *