Wednesday , November 21 2018
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / সিনহার পেছনে কারা?

সিনহার পেছনে কারা?

ঢাকার ডাক ডেস্ক  :    সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি। এই ধরনের পদ থেকে যারা অবসরে যান, তারা সাধারণত আড়াল-জীবন বেছে নেন। সাধারণ্যে তেমন একটা আসেন না,  মেশেন না। সভা-সমিতিতেও তাদের খুব একটা দেখা পাওয়া যায় না। কিন্তু বিচারপতি সিনহা এখানে ব্যতিক্রম। তিনি দেশে নেই বটে। তবে আলোচনায় থাকছেন। বিতর্কের ঝড় তুলছেন। তবে কি তিনি এখন সমাজকর্মী? অ্যাক্টিভিস্ট? না ঠিক জুতসই হচ্ছে না। তার ভূমিকা অনেকটা রাজনীতিবিদদের মতো। নিজ দলের বিপরীত রাজনৈতিক দলকে ঘায়েল করতে যা যা করা হয়, ঠিক সেই সূত্র মেনেই যেন সিনহা সাহেব কাজ করে যাচ্ছেন। তাতে এটাই দৃশ্যমান সরকার তো বটেই সরকারি দলও তার তির-ধনুর লক্ষ্যবস্তু। তাই তো আওয়ামী লীগের বিরোধীরা বাহবাই দিয়ে যাচ্ছেন তাকে। রাজপথের বিরোধীদের কণ্ঠধ্বনির সঙ্গে সিনহা কথার মিল কি শুধুই কাকতাল মাত্র?

প্রধান বিচারপতির আসনে যখন, তার শেষ ধাপে এসেই তিনি যেন আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের পিছু নিলেন। সার্বভৌম সংসদ যেখানে সিদ্ধান্ত নিল বিচারপতি অপসারণ করার ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে, সেখানে তিনি আস্থা রাখতে চাইলেন জিয়াউর রহমান প্রণীত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ওপর। অথচ আমাদের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতেই রাখা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর আমলে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়। পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধন এনে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দেয়া হয় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে। বিচারপতি সিনহার অবস্থানে প্রথম সংবিধান যেন ভুল, আর জিয়ার করা ব্যবস্থাই উত্তম! বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই খুশি করেছে বর্তমান বিএনপিকেও।

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে প্রায়ই সরকারে আসার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে খালেদা জিয়ার অনুসারীরা। এর জন্য দফায় দফায় রাজপথে নেমেও ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরতে হয়েছে তাদের। কাজে না এলেও বক্তব্য-বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের সেই তেজী ভাব বজায় আছে ঠিকই। আবার তকদির ফেরাতে দেশে-বিদেশেও প্রকাশ্য তদবির করেই যাচ্ছে তারা। সম্প্রতি ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সিনহা যা যা বলেছেন তার অনেক কিছুই বিএনপির কর্মের সঙ্গে মিলিয়ে নেয়া যায় সহজেই। কেননা সিনহা সেখানে জানান, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দেশটির অন্য নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। শেখ হাসিনার সরকারকে সমর্থন না দেয়ার জন্য তাদের অনুরোধ করেছেন। বলেছেন, যদি ভারত সরকার আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেয়, তাহলে ‘দে উইল লুজ বাংলাদেশ’। তিনি এমনও বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে, হিন্দুদের মন্দির ভেঙে দেয়া হচ্ছে। অথচ এই বাংলার ইতিহাস বলে, আওয়ামী লীগ নয়, অন্যরা ক্ষমতায় এলেই সনাতন সম্প্রদায় বেশি নিপীড়িত হয়। তাদের অপরাধ তারা নাকি বঙ্গবন্ধু-ভক্ত, নৌকায় ভোট দেন। সিনহা সাহেব সেখানে উল্টোস্রোতে পাল তুলতে চাইছেন- এতে আসলে কাদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে? কাদের সুবিধা হবে?

এদিকে জাতিসংঘ অধিবেশন থেকে দেশে ফেরার পর ৩ অক্টোবর সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সম্মেলন করেন, সেখানে পিটিআইকে দেয়া সিনহার সাক্ষাৎকারের বিষয়টি অবতারণা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল। সিনহার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার- এমন প্রশ্নও উত্থাপিত হয়।

‘ল উইল টেক ইটস ওঅন কোর্স।’- এই ছিল প্রধানমন্ত্রীর জবাব। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, এই সংক্ষিপ্ত কথায় মন ভরেনি হাজিরান মজলিশের। জবাবটা ছোট্ট হলো কি না, এমন গুঞ্জনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হাসতে হাসতে বলেন, ‘বেশি কথা বললে বলবেন বেশি কথা বলি, আর কম বললে বলবেন, কম বলি।’ সরকারপ্রধানের দেয়া সর্বশেষ তথ্য হচ্ছে, সিনহার গতিবিধি সরকারের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

লেখালেখিতেও ইন্ধনদাতা!

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সম্প্রতি আলোচনায় আসেন ইংরেজি ভাষায় একটি বই লিখে। ‘অ্যা ব্রোকেন ড্রিম : রুল অব ল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শিরোনামে আত্মজীবনীমূলক এই গ্রন্থে তিনি দাবি করেছেন, ‘২০১৭ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে ঐতিহাসিক এক রায় দেওয়ার পর বর্তমান সরকার আমাকে পদত্যাগ করতে এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করে।’ এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ থেকে বলা হয়েছে, ‘অন্তর্জ্বালা’ থেকে তিনি মনগড়া কথা বলছেন।

২৯ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই বই নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা একটু খুঁজে বের করেন না, বইটা লেখার পেছনে কার হাত আছে? এই বইটার পাণ্ডুলিপি কতবার বাংলাদেশে গেছে? কার কাছে গেছে বা তিনি যে লঞ্চটা করবেন; এই লঞ্চিংয়ের টাকা-পয়সা খরচটা কে দিচ্ছে?’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে কেউ দিচ্ছে কিনা বা আপনাদের মতো কোনো সাংবাদিকরা এর পেছনে আছে কিনা? কোনো সংবাদপত্র আছে কি না বা তারা কতটুকু সাহায্যপত্র দিচ্ছে? আমাদের কোনো আইনজীবী এর স্ক্রিপ্ট দেখে দিচ্ছে কিনা? কোন পত্রিকা বা পত্রিকার মালিকরা তাকে এই মদদটা দিচ্ছে? স্ক্রিপ্টটা লেখার ব্যাপারে কোনো সাংবাদিক, কোন পত্রিকার, কে এটা সাহায্য করছে?’

এই প্রশ্নগুলো করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুঁজে একটু বের করেন। আমি জানি, আমি তো বলব না আপনাদের। আপনারা খুঁজে বের করেন; সেটা চাই।’

তবে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বিবিসির এক প্রশ্নে দাবি করেছেন, বইটি তিনি নিজে লিখে নিজের উদ্যোগে প্রকাশ করেছেন, অন্য কারো এতে কোনো ইন্ধন নেই।

এদিকে সিনহার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের যোগসূত্র আছে- এমন উদ্বেগজনক তথ্য বই বের হওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, ‘নিন্দিত সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহা সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক এসেছিলেন। সেখানে তিনি গোপনে মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাসেমের ভাই মামুনের সঙ্গে দেখা করেন। আমরা জানতে পেরেছি, মামুনের কাছ থেকে তিনি বড় অঙ্কের টাকা পেয়েছেন। টাকাটা তাকে দেওয়া হয়েছে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য।’ গত ১২ আগস্ট জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন।

ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জয় আরও লিখেছেন, ‘তাদের এই আলাপ দেখেছে ও শুনেছে এ রকম সাক্ষীও আছে।’

সিনহার আমলনামা এবং পদত্যাগপর্ব

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে পড়েছিলেন এস কে সিনহা। পরে ছুটি নিয়ে বিদেশ গিয়ে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ নিয়ে ২১ জন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করলেও পদত্যাগের ঘটনা এটাই প্রথম। ফলে রাষ্ট্রের তিন স্তম্ভের একটির প্রধান ব্যক্তির এই পদত্যাগ ৪৭ বছরের বাংলাদেশকে নতুন একটি অভিজ্ঞতা দেয়। আবু সাদত মোহাম্মদ সায়েম থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত যত প্রধান বিচারপতি এসেছিলেন, তার মধ্যে বিচারপতি সিনহাই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি অমুসলিম।

২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই যুদ্ধাপরাধের একটি মামলার শুনানিতে একাত্তরে নিজের শান্তি কমিটির সদস্য থাকার কথা তুলে ধরে আলোচনায় আসেন বিচারপতি সিনহা; তবে তিনি বলেছিলেন, শান্তি কমিটির সদস্যের ছদ্মাবরণে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছিলেন তিনি।

তারপর প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়ে বিচার বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করার অভিযোগ নানা সময় তুলে আলোচনার জন্ম দেন তিনি। নিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন নিয়ে তার সঙ্গে সরকারের সঙ্গে তার বিরোধ হয় আলোচিত। অবসরের পর রায় লেখা নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সহকর্মী বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে তার বাদানুবাদ বিচারাঙ্গন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও উত্তাপ ছড়িয়েছিল।

এরপর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ভাস্কর্য স্থাপন নিয়েও সরকারের সঙ্গে টানাপড়েন চলে বিচারপতি সিনহার। তার শেষ বিতর্কের শুরু সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে, যা প্রথমে ছুটি এবং শেষে পদত্যাগে গিয়ে শেষ হলো। এক হাজারের বেশি দিন দায়িত্ব পালনের পর মেয়াদ শেষের তিন মাস আগে বিদায় নেন তিনি।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায় প্রকাশের পর থেকে ক্ষমতাসীনদের সমালোচনায় ছিলেন বিচারপতি সিনহা। পরের মাসে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তাতে বিচারপতি সিনহার ৪০০ পৃষ্ঠার পর্যবেক্ষণ দেখে শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বর্তমানে আইন কমিশনের সদস্য বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকও বলেন, এই রায় ‘ভ্রমাত্মক’। ওই পর্যবেক্ষণে সংসদ ও সরকার এবং জাতির জনককে খাটো করা হয়েছে অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবি তোলে আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা। তবে বিএনপি প্রধান বিচারপতির পক্ষেই দাঁড়িয়েছিল।

সংসদে আলোচনা এবং তীব্র আক্রমণের প্রেক্ষাপটে খবর আসে প্রধান বিচারপতির ছুটিতে যাওয়ার। সরকারের পক্ষ থেকে অসুস্থতার কথা বলা হলেও ১৩ অক্টোবর তিনি রীতিমতো বোমা ফাটিয়ে বিদেশে চলে যান। বিচারপতি সিনহা বলে যান, তিনি অসুস্থ নন, ক্ষমতাসীনদের সমালোচনায় তিনি ‘বিব্রত’।

নানা নাটকীয়তার মধ্যে ৩৯ দিন ছুটি নিয়ে ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ায় বড় মেয়ের কাছে যান বিচারপতি সিনহা। সেখান থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে ১০ নভেম্বর কানাডায় ছোট মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার আগে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তার পদত্যাগের খবর আসে। তার ছুটির মেয়াদ শেষে ১১ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিচারপতি সিনহা পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। পদত্যাগ করার পর বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনসহ সুনির্দিষ্ট ১১টি অভিযোগ ওঠার কথা সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়। বলা হয়, ওইসব অভিযোগের কারণে আপিল বিভাগের অন্য বিচারকরা আর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসে মামলা নিষ্পত্তিতে রাজি নন।

অবশ্য সিনহার দেশত্যাগের পরদিন তথা ১৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট এক বিবৃতির মাধ্যমে জানায়, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছাড়া আপিল বিভাগের অন্য পাঁচ বিচারপতিকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। বিচারপতি মো. ইমান আলী দেশের বাইরে থাকায় ওই আমন্ত্রণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। অন্য চারজন অর্থাৎ, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ আলোচনার একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সংবলিত দালিলিক তথ্যাদি হস্তান্তর করেন।

সিনহার ছুটি, বিদেশ গমন এবং পদত্যাগপত্র প্রেরণ- এই পর্বে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার হাতে তুলে দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তবে ২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বাবিংশতম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। যিনি পদত্যাগী বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার স্থলাভিষিক্ত হন। রাষ্ট্রপতি ২ ফেব্রুয়ারি নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের আদেশে সই করেন। এরপর পদত্যাগ করেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারক মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। যিনি অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বয়সসীমা অনুযায়ী তিনি আপিল বিভাগে দায়িত্ব পালন করতে পারতেন ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।

Check Also

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়ার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ঢাকার ডাক ডেস্ক   :    সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *