Thursday , August 16 2018
Home / জাতীয় / প্রজ্ঞাপন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদ : টিআইবি

প্রজ্ঞাপন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদ : টিআইবি

ঢাকার ডাক ডেস্ক :   প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রায় সাড়ে চার বছর পার হয়েছে এইচএম এরশাদের। তবে এ পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত পার্লামেন্ট ওয়াচ নামে সংসদ বিষয়ে এক ‘গবেষণাপত্রে’ এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন উপস্থাপন করে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি পরিচালক মোহাম্মাদ রফিকুল হাসান বলেন, বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের কোনো সরকারি গেজেট প্রকাশ বা দাফতরিক কোনো নির্দেশ পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আধুনিক মুসলিম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐহিত্য বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেয়া, মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রফতানির বাজার প্রসারে ভূমিকা পালন তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু এসবে তার কোনো ভূমিকা নেই।

সংসদের বিগত এক থেকে ১৮তম অধিবেশনের ৩২৭ কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র ৭৯ দিন উপস্থিত ছিলেন তিনি। এ সময়ের মধ্যে তিনি চীন, ভারত, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করলেও বিশেষ দূত হিসেবে যাননি। অথচ তার পেছনে প্রটোকল, বিশেষ ভাতা (মন্ত্রী পদমর্যাদা সমতুল্য) ও অন্যান্য খাত বাবদ মাসে গড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটা বে-আইনি কিনা তা আমরা বলতে পারব না। যদি তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হয়ে থাকে তাহলে দুর্নীতি বলা যাবে না। কিন্তু তার নিয়োগের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি। তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশিত হয়নি। সরকারি কোনো নির্দেশনাও নেই। তবে তার দায়িত্বের মধ্যে একটা কথা বলা হয়েছিল যে, তিনি দেশের ভাবমূর্তি বিদেশে তুলে ধরবেন। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত সফরে বিদেশ গেছেন। রাষ্ট্রীয় কোনো সফরে তাকে দেখা যায়নি বা কোনো তথ্যও নেই।

তিনি বলেন, এরশাদের পেছনে যে পাঁচ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে এটা কতটুকু যথার্থ তা তার নিজেরও বলা দরকার। জনগণকেও সরকারের জানানো উচিত।

টিআইবি গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪তম অধিবেশন থেকে ১৮তম অধিবেশন পর্যন্ত একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। সংসদকে অধিকতর কার্যকর করার জন্য ১৪টি সুপারিশও দিয়েছে দুর্নীতি বিরোধী সামাজিক আন্দোলন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক এ প্রতিষ্ঠানটি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. সুমাইয়া খায়ের, জুলিয়েট রোজেটি প্রমুখ।

Check Also

দারুল ইহসানের সার্টিফিকেটের বৈধতা দিতে রাজি নয় ইউজিসি

ঢাকার ডাক ডেস্ক :  সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসানের সার্টিফিকেটের বৈধতা দিতে রাজি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *